ভবানীপুর ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরব প্রার্থীরা, আলোচনায় বিএনপি নেতা এস এম আব্দুর রশিদ মুকুল
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
চলতি বছরের অক্টোবরে সম্ভাব্য প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হতে শুরু করেছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ, সামাজিক কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় জোরদার করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভবানীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে শেরপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম আব্দুর রশিদ মুকুলকে ঘিরে আলোচনা রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লে এস এম আব্দুর রশিদ মুকুল ব্যক্তিগত উদ্যোগে কয়েকটি স্থানে রাবিশ ফেলে চলাচলের ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদে আর্থিক সহযোগিতা, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, মাদ্রাসা, মন্দির, কবরস্থান এবং নানা সামাজিক উদ্যোগে তিনি ভূমিকা রেখে আসছেন বলে তারা জানান।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এস এম আব্দুর রশিদ মুকুল ভবানীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক ও সভাপতি হিসেবে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় থাকার কারণে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও তার প্রতি সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ভবানীপুর ইউনিয়ন বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী বলেন, দল যদি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এস এম আব্দুর রশিদ মুকুলকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি দলীয় নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নির্বাচনে ভালো অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবেন বলে তাদের বিশ্বাস।
তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই ইউনিয়নের রাজনৈতিক সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করলে প্রার্থিতা ও নির্বাচনী কার্যক্রম নতুন গতি পাবে। এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায়ে নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।



