Logo
Logo
×

সারাদেশ

বগুড়ায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেল প্রতারণার শিকার ৭ শিক্ষার্থী

Icon

বগুড়া অফিস

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

বগুড়ায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেল প্রতারণার শিকার ৭ শিক্ষার্থী

ফরম পূরণের টাকা জমা দিয়েও নিবন্ধন না হওয়ায় প্রথম দিনের পরীক্ষা দিতে না পারা বগুড়ার সাত এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিশেষ ব্যবস্থায় শনিবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

তাদের মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ছয়জন এবং সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

শনিবার অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় পাঁচজন অংশ নেন। বাকি দুজনের শুধু ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা থাকায় তারা ওই পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

গত বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন কেন্দ্রে গিয়েও প্রবেশপত্র না থাকায় এসব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেননি। পরে জেলা প্রশাসন, জেলা শিক্ষা অফিস এবং শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়।

প্রবেশপত্র পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের মো. হাসর, সম্রাট সরকার, তৌহিদুর রহমান তামিম, মইনুর ইসলাম, অমিত হাসান ও সাব্বির হোসেন এবং চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের সুমাইয়া আক্তার।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা নির্ধারিত সময়ে কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কাছে ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও তা সময়মতো শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়নি এবং প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়নি। এ কারণে তারা বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হারান।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যম, শিক্ষক এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবারই জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুক্রবার শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ার নির্দেশনা পাই। সেদিনই ছয় শিক্ষার্থীর নিবন্ধন কার্ড সংগ্রহ করে বোর্ডে যাই। প্রয়োজনীয় কাজ শেষে ফিরে এসে তাদের বাড়িতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।”

তিনি বলেন, সরকারের দ্রুত উদ্যোগের কারণেই বিষয়টির সমাধান হয়েছে।

সরকারি এম এইচ কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব অধ্যাপক আবুল কালাম আসাদ বলেন, মহাস্থান মাহীসওয়ার ডিগ্রি কলেজের ছয় শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে চারজন শনিবারের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বাকি দুজন ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

বগুড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ বলেন, যারা এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। সাত শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনের যে পরীক্ষা তারা দিতে পারেনি, সে বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য শিক্ষা বোর্ড থেকে নির্দেশনা আসবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন