শেরপুরে যুবদল নেতার ওপর ছুরি হামলা, অভিযুক্ত কিশোর পুলিশের হেফাজতে
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের শালফা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউনিয়ন যুবদলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে শালফা-গজারিয়া সড়কের ব্রিজের ওপর এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত কিশোর রাব্বি (১৭) বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খানপুর ইউনিয়নের শালফা গ্রামের মো. উজির আকন্দের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এরশাদ আলী সকালে আর্জেন্টিনার খেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে শালফা-গজারিয়া সড়কের ব্রিজের ওপর পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একই গ্রামের মো. নুরনবীর ছেলে রাব্বি তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, রাব্বি ধারালো ছুরি দিয়ে এরশাদ আলীর পিঠ, বুক ও হাতে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে থামানোর চেষ্টা করলে তাদেরও ছুরি ও কিল-ঘুষি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত রাব্বিকে আটক করে প্রথমে স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। গুরুতর আহত এরশাদ আলীকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
অভিযুক্ত রাব্বি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, “এরশাদের সঙ্গে আমার আগের একটি বিরোধ ছিল। সেই ঘটনার জেরেই আমি তাকে মারধর করেছি।”
খানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, “ইউনিয়ন যুবদল নেতাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত রাব্বিকে আটক করে রেখেছিল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”



