শেরপুরে চুরির ১৯ দিন পর গহনা ফেরত, এলাকায় চাঞ্চল্য
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ছোনকা যমুনা পাড়ায় চুরি হয়ে যাওয়া আড়াই ভরি স্বর্ণ ও ৭ ভরি রুপার গহনার অধিকাংশই রহস্যজনকভাবে ফেরত দিয়েছে চোর। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত শনিবার (২৩ মে) সকালে একই এলাকার মোছা. সাঞ্জুয়ারা বেগম (৪০) মোকলেছার রহমানের বাড়িতে এসে জানালা দিয়ে একটি গহনার বাক্স ফেলে দেন। পরে তিনি মোকলেছারের স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, খুঁজে দেখেন, যা পাবেন তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন। এরপর ঘরের এক কোণে গহনার বাক্সটি খুঁজে পান পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গহনা চুরির পর ভুক্তভোগী পরিবার বিভিন্ন কবিরাজের কাছে যান। পরে এক হুজুরের কাছে ঘটনাটি খুলে বললে তিনি দাবি করেন, “তিন দিনের মধ্যেই কাজ হবে।” এর ঠিক তিনদিন পরই চোরের আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় এবং শনিবার সকালে অধিকাংশ গহনা ফেরত আসে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এদিকে সোমবার (২৫ মে) সকালে চোর স্বীকার করে বলে অভিযোগ উঠেছে যে, চুরি করা একটি স্বর্ণের কানের দুল, একটি নাকফুল, একটি আংটি ও রুপার তোড়া ছোনকা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. জিয়াউর রহমানের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জানান, “নাকফুল, আংটি ও দুল মিলে প্রায় ১ আনা দেড় রতি ওজন হয়েছিল। আমি সেগুলো তাদের কাছ থেকে কিনেছি।”
তবে পরে মোকলেছার রহমান আংটির রশিদ দেখালে সেখানে ২ ভরি স্বর্ণের উল্লেখ পাওয়া যায়। এতে পুরো ঘটনার মধ্যে নতুন রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে জিয়াউর রহমানের বক্তব্য স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী মোকলেছার রহমান বলেন, “আমাদের অধিকাংশ গহনা ফিরে পেয়েছি। তবে কিছু স্বর্ণ এখনও পাওয়া যায়নি।
এর আগে ভুক্তভোগী ৭ মে শেরপুর থানায় একটি ডায়েরি করেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



