Logo
Logo
×

সারাদেশ

রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকদলের দুগ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলি, আহত ১৫

Icon

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম

রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকদলের দুগ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলি, আহত ১৫

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের মাঝে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালীন উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বরুনা এলাকায় ঘটে এ সংঘর্ষের ঘটনা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০দিন আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সাইড দেওয়া নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের ভাই আমিন হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহতথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন খার তর্ক বিতর্ক হয়। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন খা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

পরে স্থানীয়রা সোমবার এ নিয়ে বরুনা এলাকায় বিচার সালিশের আয়োজন করে। সালিশে আমিন হোসেনের পক্ষ হয়ে তার ভাই রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম উপস্থিত হন। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহতথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন খা তার লোকজন নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন।

বিচার চলাকালীন উভয় পক্ষের লোকজন তর্ক-বিতর্ক ও বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন ধারাল অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা এক পক্ষ আরেক পক্ষের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় হামলাকারীরা এক পক্ষ আরেক পক্ষকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জনের মতো আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানার একদল পুলিশ সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে ঘটনাস্থল এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিল্লাল হোসেন খা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আমাদের লোকজনের ওপরে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ করেছে।

অপরদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে প্রতিপক্ষ বিল্লাল হোসেন খা বলেন, বিচার সালিশে তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে রফিকুল ইসলামের লোকজন হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ এবং ভাঙচুর লুটপাট চালিয়ে আহত ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পৌঁছে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন