রূপগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই ভোজ্যতেল ব্লেন্ডিং, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় তারাব পৌরসভার কোনো প্রকার বৈধ অনুমতি ছাড়াই ভোজ্যতেল উৎপাদন, মজুত এবং নামি-দামি ব্র্যান্ডের লেবেল ব্যবহার করে বাজারজাত করার অপরাধে দুটি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২০ হাজার লিটার অবৈধ ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও র্যাব-১১-এর একটি আভিযানিক দল উপজেলার তারাব এলাকায় এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, তারাব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোনো প্রকার বৈধ অনুমতি ছাড়াই ভোজ্যতেল উৎপাদন করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মারজানুর রহমান ও র্যাব-১১ সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের দায়ে সিমু কনজ্যুমার প্রোডাক্টস নামক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুত ও উৎপাদনের দায়ে এর মালিক জহিরুল ইসলাম সৈকতকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং রুপসি সুইজগেট এলাকায় মেসার্স দেওয়ান এন্টারপ্রাইজ এ অভিযান চালিয়ে এর মালিক আ. বাতেন দেওয়ানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মারজানুর রহমান,নারায়ণগঞ্জ র্যাব-১১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক শামসুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন মল্লিকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
র্যাব-১১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক শামসুল রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠান দুটি অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ তেল মজুত করার পাশাপাশি বিভিন্ন নামি ব্র্যান্ডের স্টিকার লাগিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। অভিযানকালে বিভিন্ন আকারের গ্যালন ও বোতলে ভরা প্রায় ২০ হাজার লিটার তেল পাওয়া যায়।
রূপগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মারজানুর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং খাদ্যে ভেজাল রোধে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনুমোদনহীনভাবে যারা ভোজ্যতেল উৎপাদন ও বিপণন করবে, তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোষাগারে জমা নেওয়া হয়েছে।



