নরসিংদীতে পৃথক স্থানে দুই অটোরিকশা চালক নিহত
নরসিংদী প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
নরসিংদীতে পৃথক স্থানে দুই অটোরিকশা চালক হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জেলার মাধবদী ও পলাশ থানা এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতরা হলো- পলাশ উপজেলার ডাঙা ইউনিয়নের গালিমপুর এলাকার মৃত মোমেন মিয়ার ছেলে আল মামুন (১৯) এবং মাধবদী থানার চাঁনগাও এলাকার মোতালেব মিয়ার ছেলে মনসুর আলী (৩৫)। তারা উভয়েই অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্বজনদের বরাতে জানা যায়, গত বুধবার গালিমপুর এলাকায় গাছের ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে আল মামুনের সঙ্গে প্রতিবেশী ইসমাইল মিয়া, তার ছেলে হযরত আলী ও আজিজুলের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে শুক্রবার সকালে মামুন গাজীপুরের কালীগঞ্জে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। পথিমধ্যে গালিমপুরের একটি ইটভাটার সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বিপাশা মাসুদ জানান, মামুনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন সকালে মাধবদী থানার আমদিয়া ইউনিয়নের চাঁনগাও এলাকার একটি পুকুর থেকে মনসুর আলীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি আগের দিন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করলে নিহতের স্ত্রী তা শনাক্ত করেন।
নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) সুজন চন্দ্র সরকার জানান, আল মামুন পূর্ব বিরোধের জেরে হত্যার শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে, মনসুর আলীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। দুই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।



