ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট দুই মহাসড়কের দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম
দেশের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভোর রাত থেকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককের রূপগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটারজুড়ে এই যানজট ছড়িয়ে পড়ে। ফলে যাত্রীবাহী বাসের সাধারণ যাত্রী ও মালবাহী গাড়ির চালক ও শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুটি পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা এবং একটি যানবাহন বিকল হয়ে পরে। ফলে মহাসড়কের সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোলপ্লাজা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
অপরদিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রুপগঞ্জের রূপসী থেকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সেতু এলাকা পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এতে শত শত যানবাহন আটকা পরে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহনের ধীরগতি দেখা যায়। একপর্যায়ে সড়কদুটিতে দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়। এতে কর্মস্থলগামী মানুষসহ দূরপাল্লার যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। একই সঙ্গে যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় জ্বালানি ব্যয়ও বেড়ে যায় বলে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি।
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার থেকে ঢাকাগামী যাত্রী মো. সালাউদ্দিন জানান, আমার ভাই অসুস্থ, ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাই ঢাকা যাওয়ার জন্য সকাল থেকে দুই ঘণ্টা যাবৎ গাড়িতে বসে আছি এখনও পর্যন্ত সোনারগাঁ পার হতে পরছিনা। কখন ঢাকা গিয়ে পৌঁছাবো জানি না।
কাঁচপুরের সিনহা গার্মেন্টেসের সামনে সিলেট গামী বাসের একজন যাত্রী ফৌজিয়া আক্তার জানান, বাচ্চাদের নিয়ে সকাল থেকে এই যানজটে আটকা পড়ে আছি। বাচ্চারা অনেক বিরক্ত হয়ে গেছে কিন্তু গাড়ি সামনের দিকে যাওয়ার কোন উপায় দেখছিনা।
তিশা পরিবহনের বাসচালক ইয়াছিন সরকার বলেন, সকালে যাত্রাবাড়ী থেকে ২ ঘণ্টায় মদনপুর আসছি। এভাবে যানজট হলে আমাদের খরচের টাকাও উঠবে না।
হাইওয়ে পুলিশের শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. জুলহাজ উদ্দিন জানান, হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকল যানবাহনগুলো মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।



