কুড়িগ্রামের ৬ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
সৌদি আরবের সঙ্গে সময় মিলিয়ে কুড়িগ্রামের পাঁচ উপজেলার অন্তত ৬টি গ্রামে উদ্যাপন করা হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় এসব গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করেন
জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকডাঙা ও ছিট পাইকেরছড়া, ফুলবাড়ী উপজেলার জেলে পাড়া জামে মসজিদ, চিলমারী উপজেলার ডাটিয়ারচর, রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া এবং চর রাজিবপুর উপজেলার করাতি পাড়ায় পৃথকভাবে এসব ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা পালন শেষে একই দিনে ঈদ উদ্যাপন করে থাকেন। ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরে তারা আনন্দিত বলেও জানান।
মুসল্লি আমিনুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল ও আব্দুল মজিদ বলেন, সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সিয়াম সাধনা শেষ করেছি। আজ ঈদের নামাজ আদায় করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।
ফুলবাড়ী উপজেলার জেলে পাড়া জামে মসজিদের ইমাম আমিনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতাদর্শ অনুসরণ করে বিশ্বের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে তার ভিত্তিতে ঈদ উদ্যাপন করে আসছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
তিনি আরও জানান, ফুলবাড়ী উপজেলার কুটির চন্দ্রখানা জেলে পাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ঈদের জামাতে স্থানীয়দের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কবির মামুদ, হাজীর বাজার ও ভিতরকুটি গ্রামের প্রায় ৬০ জন মুসল্লি অংশ নেন।
ভূরুঙ্গামারীর পাইকেরছড়া গ্রামের কিশোর আবু বকর তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলে, “সবার সঙ্গে একসাথে ঈদের নামাজ পড়তে পেরে খুব ভালো লাগছে।”
চিলমারী উপজেলার অষ্টমীর চর ইউনিয়নের ডাটিয়ারচরের মুসল্লি জানে আলম বলেন, আমরা প্রতি বছরই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আদায় করি।
জেলে পাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদের ইমাম মো. আব্দুল মালেক বলেন, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে সেই হিসাবেই ঈদ ও রোজা পালনের নির্দেশনা রয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই আমরা একদিন আগে ঈদ উদ্যাপন করছি।



