কক্সবাজারে ঈদের প্রধান জামাত ২টি, সকাল ৮ ও ৯ টায়
কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঈদুল ফিতরের জামাত হবে ২টি। সকাল ৮টায় ও ৯ টায় এই জামাত ২টি অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন কক্সবাজার জেলা মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা মাহমুদুল হক। দ্বিতীয় জামাত জামাতে ইমামতি করবেন কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি সোলাইমান কাসেমী। জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লীদের আতর, ৫০০ মিলিলিটার পানির বোতল, খেজুর এবং টিস্যু উপহার দেবে কক্সবাজার পৌর কর্তৃপক্ষ।
কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আদনান চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, ১৬ মার্চ কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসাইন সজীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে প্যান্ডেল নির্মাণ সহ নানা কাজ চলছে পুরোদরেম। শহরের বিভিন্ন সড়ক উপ সড়কে দেয়া হচ্ছে গেইট।
কাজের দায়িত্ব প্রাপ্ত এস.এম ডেকোরেশন এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর সত্বাধিকারী কমল দাশ সাধন জানান, ১৬ ফুট উচ্চতাসম্পন্ন বিশাল প্যান্ডেলের আয়তন প্রায় ৬০ হাজার বর্গফুট। ২৯ রমজান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদ উদিত হতে পারে, এ টার্গেট নিয়েই তারা ময়দানের সমস্ত কাজ শেষ করবেন।
কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক আজাদ জানান, ৫টি গেইট দিয়ে মুসল্লীরা ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করতে পারবেন। ২ শত মুসল্লী যাতে একসাথে অজু করতে পারে, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়দানে মুসল্লীদের জন্য পর্যাপ্ত সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ৫টি গেইট দিয়ে মুসল্লীরা ময়দানে প্রবেশের সময় প্রত্যেককে আতর, ৫০০ মি:লি: মিনারেল ওয়াটার, খেজুর এবং টিস্যু উপহার দেওয়া হবে। ময়দানে মনিটরিং সেল সার্বক্ষনিক কাজ করবে। তিনি আরো জানান, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়ক গুলোতে ১৫ টি ব্যানার সহ তোরণ নির্মাণ করা হচ্ছে।
জেলা পুলিশ সুত্র জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষনিক নজরদারিতে থাকবে। স্টেডিয়াম, স্টেডিয়ামের দক্ষিণ পাশের রোড, হাসপাতাল সড়ক ও জেলা পরিষদ মোড়ে আর্চওয়ে অর্থাৎ নিরাপত্তা গেইট বাসানো হবে। এছাড়া, কক্সবাজার জেলা পুলিশের উদ্যোগে ২স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোন মুসল্লী অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায়, সেজন্য মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।



