নোয়াখালীতে সংঘর্ষের প্রমাণ পেলেও ধর্ষণের তথ্য পায়নি পুলিশ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
নোয়াখালীর হাতিয়ায় সেই নারীর নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোনো মামলা দায়ের করেনি ভুক্তভোগী নারী। এদিকে, অভিযোগ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও সাজানো নাটক বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত আবদুর রহমান।
পুলিশ বলছে, স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে এনসিপি এবং বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের প্রমাণ পাওয়া গেলেও ধর্ষণের ঘটনার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, নোয়াখালী হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের ৩২ বছর বয়সী এক নারী দাবি করেন, নির্বাচনে শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাকে ও তার স্বামীকে পিটিয়ে জখম করেন। এ সময় তার স্বামীকে বেঁধে রেখে আবদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে।
পরে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, এ অভিযোগ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও সাজানো নাটক বলে দাবি করেছেন আবদুর রহমান। তিনি জানান, নির্বাচনে শাপলা কলির পক্ষে কাজ করার জন্য তাকে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তিনি রাজি না হয়ে ধানের শীষের পক্ষে থাকায় তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে এনসিপি এবং বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের প্রমাণ পাওয়া গেলেও ধর্ষণের ঘটনার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা শুধু ভুক্তভোগীর নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে একজন নারী এসআই ও একজন এএসআইয়ের নেতৃত্বে পাঁচজন কনস্টেবল নিয়োগ করা হয়েছে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, আমরা এখনো এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাইনি। স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে এনসিপি এবং বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের প্রমাণ পাওয়া গেলেও ধর্ষণের ঘটনার কোনো তথ্য আমরা পাইনি।



