Logo
Logo
×

সারাদেশ

নির্বাচন ও রমজান বিবেচনায় চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট স্থগিত

Icon

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৪ পিএম

নির্বাচন ও রমজান বিবেচনায় চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘট স্থগিত

নির্বাচন ও পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। ধর্মঘট স্থগিতের পর সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বন্দরের নিয়মিত অপারেশনাল কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে।

ধর্মঘট চলাকালে বন্দরের তিনটি প্রধান টার্মিনাল—জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি), চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) এবং নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ছিল। সোমবার সকাল থেকে এসব টার্মিনালে জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য ওঠানামা পুনরায় শুরু হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকাল আটটা থেকে জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল, প্রশাসনিক ভবন এবং বহির্নোঙরে (আউটার লাইটারেজ) পরিচালন কার্যক্রম চালু হয়েছে। রোববার কর্মবিরতির কারণে এসব কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

রোববার রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর ঘোষণার পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারার কোনো চুক্তি হবে না—এমন আশ্বাস পাওয়ায় নির্বাচন ও রমজানের পণ্য খালাসের স্বার্থে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা, গ্রেপ্তার, শাস্তিমূলক বদলি, বাসা বরাদ্দ বাতিল এবং ১৬ কর্মচারীর সাময়িক বরখাস্তের বিষয়গুলো সমাধান না হলে নতুন করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির বলেন, এনসিটিকে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া এই সরকারের আমলে এগিয়ে নেওয়া হবে না—এমন ঘোষণাকে তারা তাদের প্রাথমিক বিজয় হিসেবে দেখছেন। সব দিক বিবেচনা করেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে এবং সকাল থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন।

এর আগে এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে গত শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে যান বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে বন্দর ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে এবং সকাল থেকেই বন্দর এলাকায় কর্মচাঞ্চল্য দেখা গেছে। তবে টানা সাত দিন কাজ বন্ধ থাকায় সৃষ্ট ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সহজ হবে না বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন