Logo
Logo
×

সারাদেশ

এনসিটি ইজারা বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্ট ধর্মঘট, অচল চট্টগ্রাম বন্দর

Icon

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১০ এএম

এনসিটি ইজারা বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্ট ধর্মঘট, অচল চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এতে বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেখা যায়, বন্দর ভবনের সামনে ৪ নম্বর গেটে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বন্দরের ভেতরে যানবাহনের চলাচল প্রায় বন্ধ।

সরেজমিনে জানা গেছে, সকাল ৮টা থেকে জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল ও প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি বহির্নোঙর (আউটার লাইটারেজ) এলাকাতেও পণ্য খালাস ও পরিচালনার কাজ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়। তবে আন্দোলনকারীরা এ আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মসূচির ঘোষণা দেন বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। এনসিটি ইজারা বাতিলের পাশাপাশি তাদের অন্য দাবিগুলো হলো—চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহার, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলাসহ সব ধরনের আইনি হয়রানি বন্ধ।

বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, সকাল ৮টা থেকে বন্দরের সব ধরনের কাজ বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলবে।

শ্রমিক নেতাদের হয়রানির অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, গতকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে আমাদের নেতাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দুই শ্রমিক নেতা শামসু মিয়া টুকু ও আবুল কালাম আজাদকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে। ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমন করা যাবে না।

পরিষদের আরেক সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির জানান, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক আট ঘণ্টা এবং ৩ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা কর্মবিরতি পালন করা হয়েছিল। নৌ উপদেষ্টার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি স্থগিত রাখা হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবার আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, বন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন