Logo
Logo
×

সারাদেশ

সোনারগাঁয়ে তিন গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ১৫

Icon

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৬ এএম

সোনারগাঁয়ে তিন গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ১৫

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে তিন গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানি, খাসেরগাঁও ও ছোট কোরবানপুর গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষ চলতে থাকে। সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র দা, বঁটি, টেঁটা, বল্লম, লোহার রড ও ইটপাটকেল ব্যবহার করা হয়। খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পিরোজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য খাসেরগাঁও গ্রামের মনির হোসেন ও ছোট কোরবানপুর গ্রামের রাসেল মিয়ার সঙ্গে একই ইউনিয়নের পাঁচানি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদের দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ পাঁচানি গ্রামের বজলু মিয়া অভিযোগ করে বলেন,খাসেরগাঁওয়ের মনির মেম্বার ও ছোট কোরবানপুরের রাসেল মিয়া এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। আমরা এর প্রতিবাদ করায় দুপুরে প্রায় তিন শতাধিক লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ আমাদের গ্রামে হামলা চালায়। বাড়িঘর ও দোকানপাটে লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। আমাদের ১০-১২ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হামলার সময় প্রাণ বাঁচাতে অনেকে মসজিদের ছাদে আশ্রয় নিলে সেখানেও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে মসজিদের কাঁচ ভেঙে ফেলা হয়।

অন্যদিকে ছোট কোরবানপুর গ্রামের বাসিন্দা রাসেল মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হামিদ মিয়া একছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করেছে। আমাদের বাড়িঘরে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। এখনও সে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে চাইছে।

তিনি দাবি করেন, সকালে আমাদের ছেলেরা নদীতে গেলে হামিদ মিয়ার লোকজন তাদের মারধর করে। পরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আমরা গত সপ্তাহে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করি। মনির মেম্বার ও রাসেল মিয়া সমাধানে রাজি হলেও হামিদ মিয়া রাজি হননি। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুরের চিহ্ন দেখেছি।

সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিবুল্লাহ বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী বর্তমানে ঘটনাস্থলে রয়েছে। প্রশাসনের লোকজন সরে গেলেই আবার হামলার চেষ্টা করছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পরিস্থিতি শান্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন