ছবি : সংগৃহীত
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) অর্থের যোগানদাতা ২৩ শিল্প প্রতিষ্ঠান।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ৮৭ নম্বর বাড়ি থেকে পরিচালিত হতো আওয়ামী লীগের থিংক ট্যাংক খ্যাত সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন বা সিআরআই। চলতো গবেষণা, আসতো সিদ্ধান্ত। জুলাই গণ-অভ্যত্থানের পর ওই ঠিকানায় অফিসটির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া না গেলেও টানা ১৫ বছর ক্ষমতা থাকাকালে আওয়ামী লীগের হয়ে ডিজিটাল জগতকে নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল সিআরআই’র একমাত্র উদ্দেশ্য।
সিআরই মূলত ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের গুজব ছড়ানোর ট্যাংক। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষকে ডিজিটালি দমনই ছিলো সিআরআই-এর প্রধান কাজ। এছাড়া অপতথ্য ছড়ানোর কারিগরও ছিলো এই সিআরআই। মেটার ২০২৪ সালের প্রথম ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেসবুকে ‘সুসংগঠিতভাবে ভুয়া প্রচারণার’ অভিযোগে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও এর গবেষণা সেল সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) সংশ্লিষ্ট ৫০টি অ্যাকাউন্ট ও ৯৮টি পেজ মুছে দিয়েছে মেটা।
সিআরআই-এর এসব কাজে অর্থায়ন করতো আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের লুটেরা নেতা-কর্মী, এমপি ও মন্ত্রীরা। সিআরআ্ই চলতো এক ঝাঁক বিদেশে উচ্চ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ডিজিটাল বিশ্বে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দ্বারা, যাদের মাসিক বেতন ছিলো লাখ টাকা উপরে। এসব ব্যক্তিরা সমন্বয় করতো স্থানীয়দের সাথে।
আওয়ামী নেরেটিভ প্রতিষ্ঠা এবং তরুণদের ব্রেইন ওয়াশে কাজ করতো সিআরআই এর ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম লেটস টক অনুষ্ঠান। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাছাইকৃত তরুণদের ডেকে নির্বাচিত প্রশ্নে চলতো সিআরআই-এর ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম লেটস টক। আওয়ামী বন্দনার এসব প্রোগ্রামে তরুণদের আকৃষ্ট করে চলতো আওয়ামী ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠায় জয়গান। এ যেনো হীরক রাজার যন্তর-মন্তর ঘর।
জুলাই গণহত্যায়ও সিআরআই-এর ভূমিকা ছিলো উল্লেখযোগ্য। ছাত্র সমন্বয়কদের অবস্থান নির্ণয়, যোগাযোগ, পরিকল্পনা ইত্যাদি শনাক্ত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে সিআরআই। সেসময় গণ অভ্যূত্থানের বিরুদ্ধে কাজ করতে একটি দলকে নিয়মিত প্রশিক্ষণও দেয় ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর সিআরআই।
এই প্রতিষ্ঠানটিকেই ধারাবাহিকভাবে মোটা অঙ্কের অর্থের যোগান দিতো দেশের প্রতিষ্ঠিত ২৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠান। আ.লীগের হয়ে বিরোধীদের বিরুদ্ধে উদ্ভট-অবান্তর প্রোপাগান্ডা ছড়ানো এই সেলের অর্থের যোগানদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো : বেক্সিমকো হোল্ডিংস, কনফিডেন্স গ্রুপ, সামিট কমিউনিকেশন্স লিমিটেড, মেঘনা গ্রুপ, ইউনাইটেড গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, এইচএফ পাওয়ার লিমিটেড, স্কয়ার ট্রয়লেটিজ লিমিটেড, ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রকচার লিমিটেড, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আমরা গ্রুপ, আনলিমা টেক্সটাইল, মোহাম্মদী গ্রুপ, এনার্জিপ্যাক গ্রুপ পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড, ইস্টকস্ট গ্রুপ (এমজেএল বাংলাদেশ) নর্ডিক উডস লিমিটেড, গ্লোব ফার্মা গ্রুপ বেভারেজ লিমিটেড, বিজিএমইএ, জেমকন ফুড এন্ড এগ্রিকালচার প্রোডাক্টস লিমিটেড, বাংলা ট্যাক কমিউনিকেশনস লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, বিকাশ লিমিটেড, গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যরেন্স লিমিটেড।
প্রতিষ্ঠানগুলোর দেয়া ডোনেশনের বিষয়ে অনুসন্ধান করে জানা যায়, বেক্সিমো হোল্ডিংস ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট আইএফআইসি ব্যাংকের ১০০২১২৮৯১০০১ একাউন্ট নম্বর থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০৪৮৬৮৪ নম্বর একাউন্টে ১৫ লাখ টাকা অনুদান দেয়। একইভাবে ২০১৭ সালের ২ মার্চ বেক্সিমকোর একই একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টে নামে ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ নম্বর একাউন্টে ২০ লাখ টাকা দেয়। ২০১৯ সালের ৩ মার্চ বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ এর ইসলামী ব্যাংকের ২০৫০১৭৭০১০০৪৪৫১০০ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের নামে ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ নম্বর একাউন্টে দেয়া হয় ৩০ লাখ টাকা টাকা। ২০২০ সালেও বেক্সিমকো হোল্ডিংসের আইএফআইসি ব্যাংকের ১০০২১২৮৯১০০১ একাউন্ট নম্বর থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ নম্বর একাউন্টে ২০ লাখ টাকা অনুদান দেয়। সবশেষ ২০২৩ সালের আগস্টেও বেক্সিমকো হোল্ডিংসের একই একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০১৯২০৬ নম্বর একাউন্টে ২০ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়।
কনফিডেন্স গ্রুপও একইভাবে ২০১৬ সালের ১৬ মার্চ কনফিডেন্স স্টিল লি. এর প্রাইম ব্যাংকের ১২৬৭৩৬১০০০৪৩১১ নম্বর একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেয়। এরআগে ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল কনফিডেন্স সিমেন্ট লি. এর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫০৩২০০০২৮৪৫ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১৫ লাখ টাকা দেয়। ২০২০ সালের ১৫ মার্চ কনফিডেন্স স্টিল লি. এর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫০৩২০০০২৮৪৫ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের প্রাইম ব্যাংকের ২১২৬৭৪১০০৮৭৩৬ একাউন্টে ১০ লাখ টাকা দেয়। ২০২২ সালের ৮ মার্চ কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রকচারের প্রাইম ব্যাংকের ২১২৬১১৭০১০৮৫৫ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে দেয় ৪৫ লাখ টাকা। ২০২২ সালের একই দিনে কনফিডেন্স পাওয়ার হোল্ডিংস লি. এর মিডল্যান্ড ব্যাংকের ০০১১১০৬০০০০১৮ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে দেয়া হয় ৪৫ লাখ টাকা।
১০ কিস্তিতে সর্বোচ্চ অনুদান দেয় সামিট কমিউনিকেশন্স লি.। এরমধ্যে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি সামিট কমিউনিকেশনস লি. এর ট্রাষ্ট ব্যাংকের ৩০০২১০০০১৯৩৭ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে পে অর্ডার করা হয় ৫০ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সামিট কমিউনিকেশন্সের ট্রাস্ট ব্যাংকের একই একাউন্ট থেকে সিআরআইনের একই প্রজেক্টের একই একাউন্টে দেয়া হয় ২৫ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সামিট কমিউনিকেশনস লি. এর ট্রাষ্ট ব্যাংকের ৩০০২১০০০১৯৩৭ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে পে অর্ডার করা হয় ৫০ লাখ টাকা। একই দিন সামিট পাওয়ার সামিট পাওয়ার লি. এর ব্যাংক এশিয়ার ৬২৭৩৬০০০০০২ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় আরও ২০ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল সামিট কর্পোরেশন লি. এর ব্যাংক এশিয়ার ৬২৭৩৬০০০০০১ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয় ২৫ লাখ টাকা। ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সামিট কর্পোরেশন লি. এর ব্যাংক এশিয়ার ৬২৭৩৬০০০০০১ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয় ২৫ লাখ টাকা। ২০২২ সালের ৮ মার্চ সামিট পাওয়ারের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১১৩১০০০০০০০৫৪ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় লাখ টাকা। ২০১৭ সালের ৯ মার্চ সামিট পাওয়ারের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ১১৩৩৯২১৪০১ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের একাউন্টে দেয়া হয় ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। একইদিনে সামিট কমিউনিকেশন্সের ট্রাস্ট ব্যাংকের ৩০০২১০০০১৯৩৭ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে দেয়া হয় ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ সামিট পাওয়ারের প্রিমিয়ার ব্যাংকের ০০১৩৫০০০০০০৩ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে দেয়া হয় ১০ লাখ টাকা।
মেঘনা গ্রুপ : ২০১৭ সালের ২০ জুন ইউনিক সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের ঢাকা ব্যাংকের ২০১১৭৯২৫৬ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে দেয় ৫০ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর একাত্তর মিডিয়া লি. এর মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ০৪৬০৩২০০০০৪২৮ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে ৮০ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০২৪ সালের ১১ মার্চ সোনারগাঁও সিড ক্রাসিং লি. এর কমিউনিটি ব্যাংকের ০০১০৩১২২০৩৩০১ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে ২৫ লাখ টাকা।
ইউনাইটেড গ্রুপ : ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ও ২০১৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজের ঢাকা ব্যাংকের ২০৩১৭৯১২৫ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দুই দফায় দেয়া হয় ৭৫ লাখ টাকা।
এস আলম গ্রুপ : ২০১৫ সালের ২৬ এপ্রিল সিআরআইয়ের ইউনিয়ন ব্যাংকের একাউন্টে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এফডিআর করে এস আলম গ্রুপ। এরআগে একই বছরের ১৩ জানুয়ারি এস আলম স্টিল মিলের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১০ লাখ টাকা পে অর্ডার করে।
এইচএফ পাওয়ার লি. : ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর দুটি চেকের মাধ্যমে সিআরআইকে ৫ কোটি টাকা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এর একটি চেকে ৩০ লাখ অপর চেকে ২০ লাখ টাকা দেয়া হয়। এইচএফ পাওয়ারের ইসলামী ব্যাংকের ২০৫০১৪৫০১০০৫০৭২১১ একাউন্ট থেকে দেয়া হয়। এছাড়া ২০১৯ সালের নভেম্বরেও দেয়া হয় ১ কোটি টাকা।
স্কয়ার টয়লেট্রিজ লি. : ২০২০ সালের ১৫ মার্চ স্কয়ার টয়লেটিজের প্রাইম ব্যাংকের ২১১০৭৪৬০০৮৭৩৮ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে দেয়া হয় ৪৫ লাখ টাকা। ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর স্কয়ার টয়লেটিজের প্রাইম ব্যাংকের ২১১০৭৫৩০১৫৩১৩ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে ৪৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর স্কয়ার ট্রয়লেটিজ মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১১৩১০০০০২২২২১ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে ৪৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০২৩ সালের ২ অক্টোবর স্কয়ার ফুড এন্ড বেভারেজের প্রাইম ব্যাংকের ২১১০৭৩১০০২১০৯ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে দেয়া ঞয় ৪৫ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি স্কয়ার টয়লেটিজ প্রাইম ব্যাংকের মাধ্যমে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ২৫ লাখ টাকা পে অর্ডার করে। ২০১৯ সালের ৩ মার্চ স্কয়ার টয়লেটিজ প্রাইম ব্যাংকের ২১১০৭৪৬০০৮৭৩৮ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ৪০ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি স্কয়ার ফুড এন্ড বেভারেজের প্রাইম ব্যাংকের ২১১০৭৩১০০২১০৯ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় ৫০লাখ টাকা। ২০২২ সালের ২৩ অক্টোবর, ২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর, ১৯ ফেব্রুয়ারি ও ২০২৪ সালের ৩ মার্চ স্কয়ার টয়লেটিজের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১১৩১০০০০২২২২১ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে মোট দেয়া হয় ৬৫ লাখ টাকা। ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর ও ২০২২ সালের ২৩ অক্টোবর স্কয়ার ফুড এন্ড বেভারেজের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১১৩১০০০০১৫৪৮৯ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় মোট ৩০ লাখ টাকা। ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২২ অক্টোবর ও ২০২৪ সালের ৩ মার্চ স্কয়ার ফুড এন্ড বেভারেজের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১১৩১০০০০৫৭০৯৩ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ৫৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০১৬ সালের ১ নভেম্বর স্কয়ার ফুড এন্ড বেভারেজের প্রাইম ব্যাংকের ১২৬৭৩৬১০০০০৪৩১১ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৮৪ একাউন্টে দেয়া হয় ২০ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর মাসরাঙ্গা কমিউনিকেশন্সের প্রাইম ব্যাংকের ২১১০৭৩৯০১২৩৬৫ একাউন্ট থেকে সিআরআই ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে দেয়া হয় ১০ লাখ টাকা।
ওরিয়ন ইনফ্রাস্টাকচার লি. : ২০২১ সালের ৩০ ডিসেম্বর ওরিয়ন ইনফ্রাস্টকচার লি. এর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২১৩৬০০০১৮২৪ একাউন্ট থেকে সিআরআই ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে দেয়া ৯ লাখ টাকা। ২০১৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর ডাচ বাংলা পাওয়ার ও এসোসিয়েটসের সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২১৩৩০৪৪৯৬৫৯ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ৫০ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ২০১৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওরিয়ন ইনফ্রাস্টাকচারের অগ্রনী ব্যাংকের ২০০০০০১৩৭৮৬০ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় ৩৫ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের ৫ মার্চ ওরিয়ন ওয়েল এন্ড শিপিং লিমিটেডের ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকের ৯৫১১০১০০০০০৮৬০৬ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় ৫০ লাখ টাকা। ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওরিয়ন পাওয়ার ইউনিট-২ এর জনতা ব্যাংকের ১০০০১৮০১৯৬৩৩ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় ৫০ লাখ টাকা্। ২০১৮ সালের ১১ মার্চ ওরিয়ন ইনফ্রাস্টাকচার লি এর সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ০০২১৩৬০০০১৮২৪ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ২০ লাখ টাকা দেয়া হয়।
ওয়ালটন ডিজি টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লি. : ২০২২ সালের ৭ মে ওয়ালটন ডিজি টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লি. এর ইসলামী ব্যাংকের ২০৫০৩৪২০৯০০০০৪৬০০ একাউন্ট থেকে সিআরআই ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে দেয়া হয় ৬ লাখ টাকা্।
আমরা গ্রুপ : ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ও ১৬ এপ্রিল দুই দফায় আমরা হোল্ডিংস এর ব্যঅংক এশিয়ার ১২৩৩০৫২৮১০ ও ১২৩৬০৫০৬৭২ একাউন্ট দুটি থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১৫ লাখ টাকা দেয়া হয়।
আনলিমা টেক্সটাইল : ২০১৫ সালের ২৬ জানুয়ারি আনলিমা টেক্সটাইলের ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকের ৭৪৯০০০০০৫৭৭ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় ৫০ লাখ টাকা।
মোহাম্মদী গ্রুপ : ২০১৫ সালের ২ মার্চ দেশ এনার্জী লি. এর ওয়ান ব্যাংকের ৬১০২০০০৩৪৭৬ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে দেয়া হয় ৭ লাখ টাকা।
এনার্জিপ্যাক গ্রুপ পাওয়ার জেনারেশন লি. : ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এনার্জিপ্যাক গ্রুপ পাওয়ার জেনারেশন লি এর মেঘনা ব্যাংকের ১১০৩৭০৬০০০০০০৩২ একাউন্ট সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১০ লাখ টাকা দেয়া হয়।
ইস্ট কস্ট গ্রুপ (এমজেএল বাংলাদেশ) নরডিক উডস লি. : ২০১৬ সালের ১০ মার্চ নরডিক উডসের ঢাকা ব্যাংকের ১১৬৪০১১০১ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১০ লাখ টাকা দেয়া হয়। পরের বছর ২০১৭ সালের ৫ মার্চ ইসি সিকিউরিটিজের ঢাকা ব্যাংকের ২১৫১৫০১৭১০ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ফের ১০ লাখ টাকা দেয়।
গ্লোব ফার্মা গ্রুপ এসটি বেভারেজ লি. : ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি এএসটি বেভারেজের সাউথইস্ট ব্যাংকের ১১০০০০৬৫৫৪ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১ কোটি টাকা দেয়া হয়।
বিজিএমইএ : ২০১৯ সালের ৫ মার্চ বিজিএমইএর এক্সিম ব্যাংকের ৩৫১৩১০০০০৫৬৯৫ একাউন্ট থেকে সিআরআই ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে ২৫ লাখ টাকা দেয়।
জেমকন ফুড এন্ড এগ্রিকালচার প্রোডাক্টস লি. : ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি জেমকন ফুড এন্ড এগ্রিকালচার প্রোডাক্টস লি. এর প্রাইম ব্যাংকের ১২৭৭৭৩২০০২১৯৩৮ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ৩০ লাক টাকা দেয়া হয়। ২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জেম জুট লি এর প্রাইম ব্যাংকের ২১২৭৭৪৮০০৩৪৮০ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ২৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০১৭ সালের ২ মার্চ জেমকন সিটি লি এর ঢাকা ব্যাংকের ২২৬১০০১০৬৫ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ২০ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০১৭ সালের ২ মার্চ পাথর লি এর এনআরবি ব্যাংকের ১১৫২০১০০০১০৮৭ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়। ২০২০ সালের ১০ মার্চ কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের প্রাইম ব্যাংকের ২১২৭১১৪০০৮৮৯৩ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ফের ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়।
বাংলা ট্র্যাক কমিউনিকেশন্স লি. : ২০১৬ সালের ৮ মার্চ বাংলা ট্র্যাক কমিউনিকেশন্সের স্ট্যার্ন্ডাড চাটার্ড ব্যাংকের ০১৫১৬৯১৫১০১ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১০ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০১৭ সালের ৫ মার্চ বাংলা ট্র্যাকের ব্যাক ব্যাংকের ১৫০১২০০৯৪১৪৩২০০০ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ১৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বাংলা ট্র্যাক পাওয়ার ইউনিট-২ এর প্রাইম ব্যাংকের একাউন্ট ২১৩২১১৬০১৭৪০৮ একাউন্ট থেকে সিআরআই ইয়ং বাংলা প্রজেক্টের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৭৭৬৯ একাউন্টে ৫০ লাখ টাকা দেয়া হয়।
ইসলামী ব্যাংক পিএলসি লি. : ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংক সিএসআর ফান্ড একাউন্ট ২০৫০২১৩৯৯২০০৩০০০০ থেকে সিআরআই ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে দেয়া হয় ৫ কোটি টাকা।
বিকাশ লি. : ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর, ২০২৩ সালের ১২ মার্চ ও ২০২৪ সালের ১০ জুলাই বিকাশ ব্র্যাক ব্যাংক থেকে অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমে সিআরআই ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে ৩০ লাখ ৫৫ হাজার টাকা দেয়। এছাড়া ২০২১ সালের ১৭ জুন ও ২০২৪ সালের ৬ মে স্ট্যান্ডার্ডা চার্টাড ব্যাংকের ০০১৫০১১৩০৭৬৩১০১ একাউন্ট থেকে সিআরআই ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০৪৮৬৮৪ একাউন্টে ৩০ লাখ ৯০ টাকা দেয়।
গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লি. : ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ও ২০২২ সালের ৬ জুন গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুর্নেস কোম্পানী লি এর স্টান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের ০২১১০৮০৭৭০২ একাউন্ট থেকে সিআরআইয়ের ন্যাশনাল ব্যাংকের ১০৯০০০০০৪৯২০৬ একাউন্টে ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়। এছাড়া ২০১৯ সালের ৪ মার্চ ও ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১১৩১১১০০০০৭৫৭২ একাউন্ট থেকে ২০ লাখ টাকা দেয়া হয়।



