Logo
Logo
×

সারাদেশ

টেকনাফ সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Icon

কক্সবাজার প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

টেকনাফ সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি : টেকনাফ সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অভ্যন্তরে ত্রিমুখী সংঘাতের জের ধরে কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে অনুপ্রবেশ করা ৫৭ জনের মধ্যে ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিজিবি। সীমান্তে আটক অপর ৪ জন বাংলাদেশী জেলে এবং তারা নাফনদীতে মাছ ধরতে গিয়ে গোলাগুলিতে ফিরতে গিয়ে অনুপ্রবেশকারিদের সাথে মিশে যায়। ফলে এদের যাচাই-বাছাই করে মামলার আসামি করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ ও বিজিবি।

টেকনাফ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, সোমবার রাতে বিজিবির উখিয়াস্থ ৬৪ ব্যাটালিয়নের নায়েক ছরওয়ার মোস্তফা বাদি হয়ে ৫৩ জনকে আসামি করে এই মামলাটি দায়ের করেন। অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলাটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাইকালে নাফনদীতে মাছ ধরতে যাওয়া বাংলাদেশী ৪ জেলেকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, মামলায় অভিযুক্ত ৫৩ জনের মধ্যে একজন পুলিশ হেফাজতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতাবস্থায় চিকিৎসাধিন। অপর ৫২ জনকে মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যে রবিবার ৫৩ জন এবং সোমবার সকালে ৪ জনকে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে আটক করে বিজিবি ও পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকালে এই ৫২ জনকে কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানো আদেশ দিয়েছে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ।

এদিকে সোমবার সকাল দশটায় কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরে’ মাইন বিস্ফোরণে আহত আবু হানিফের পা কেটে ফেলা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আহতের পিতা ফজল করিম।

আহতের বাবা ফজল করিম বলেন, সকালে সীমান্তের নাফ নদীতে বাংলাদেশ অংশে জেগে উঠা ছোট দ্বীপ শাহজাহানের দ্বীপে তার ছেলে আবু হানিফ জাল ও নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যায়। এক পর্যায়ে নদীতে নামলে আকস্মিক বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে আবু হানিফ গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণে তার বাম পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্য পা-টিও সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

একই সঙ্গে হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় রবিবার সকালে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত বাংলাদেশি শিশুটির অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন জানান, "রবিবার রাতে শিশুটির অপারেশন করা হয়েছে। তবে, তার মাথায় লাগা গুলিটি বের করা যায়নি। এটা এমন এক জায়গায় বিদ্ধ হয়ে আছে সেটা বের করে নিলে রক্তক্ষরণে শিশুটির মৃত্যু হতে পারে। তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন