বর্ষণে রোপা আমন চাষীদের মনে স্বস্তি
আদমদীঘি,বগুড়া প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৫, ০৮:৪৭ পিএম
ছবি- যুগের চিন্তা
"আষাঢ়-শ্রাবন মানে না যে মন" শিরোনামের গানের গীতিকারের কথা এবার যেন স্বরুপে দেখা দিয়েছে পশ্চিম বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা ও আশপাশ এলাকায়।
বর্ষা মৌসুমের এই দুই মাসের মধ্যে আষাঢ় মাসের শেষ দুই দিন ও শ্রাবন মাসের প্রথম দিন বুধবার রাত থেকে কখনো হালকা আবার কখনো মাঝারি বৃষ্টি ঝড়ে চলেছে। লাগাতার বৃষ্টিতে একদিকে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে দিন মজুর,রিক্সাচালকসহ ক্ষুদ্র পরিবহন চালকদের যাত্রী সংকটে ভুগতে দেখা গেছে এবং হাট বাজারে খোলা স্থানের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে শাক সবজির ব্যবসায়ীরা অনেকটা বেকার হয়ে পড়েছে।
প্রয়োজনীয় পরিমান সরবরাহ না থাকায় দেখা দিয়েছে এসব কাঁচা পণ্যের দাম। এতে করে ভোক্তাদের পকেটে টান পড়েছে। মুশলধারার বৃষ্টিতে দৈনিক বাজার ও হাটে কমে গেছে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি। অন্যদিকে রোপা আমন চাষাবাদের জন্য অধীর হয়ে থাকা কৃষকদের জন্য আশির্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে আষাঢ় শেষের ও শ্রাবন শুরুর দিন থেকে শুরু হওয়া হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি। সমালয়ের এই উপজেলার মাঠে মাঠে জমতে শুরু করেছে বৃষ্টির পানি।
এতে করে সেচের মাধ্যমে রোপা আমন চাষাবাদের অতিরিক্ত খরচ সাশ্রয় হবে বলে আশা করছেন বহু কৃষক। তবে ইতোমধ্যে কৃষকরা সেচ দিয়ে রোপা আমন ধানের চারা তৈরি করে ফেলেছে। এখন জমি চাষ ও রোপন কার্যক্রম শুরু করার অপেক্ষায় সময় গুনছেন। অপরদিকে উপজেলার কোথাও কোথাও গভীর ও অগভীর নলকূপের সেচের মাধ্যমে রোপা আমন চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে। এউপজেলায় এবছর ১২ হাজার হেক্টরের অধিক পরিমাণ জমিতে রোপা আমন চাষাবাদের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে বলে জানা গেছে।



