Logo
Logo
×

রাজধানী

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহাগ

Icon

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১১:০৫ এএম

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহাগ

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি উন্নয়ন ও কৃষিভিত্তিক শিল্পখাতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এবার ফার্মাসিউটিক্যাল, নিউট্রাসিউটিক্যাল এবং স্বাস্থ্য-সম্পূরক পণ্য খাতে অংশগ্রহণ করায় মীম শরৎ গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ সোহাগসহ ১৮ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান পেলেন আন্তর্জাতিক গ্লোবাল হেলথ সামিট ২০২৬ সম্মেলনে অ্যাওয়ার্ড।

বুধবার রাতে রাজধানী গুলশানের দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি জানান, দেশের ওষুধ বিদেশে রপ্তানির পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণকে কম মূল্যে ভালো মানের ওষুধ দিতে পারি সেই দিকেও উদ্যোক্তাদের খেয়াল রাখতে হবে। 

আর আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশ এই প্রথম মীম শরৎ গ্রুপ ময়দায় ফোর্টিফিকেশন হয়েছে। যা কিনা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

বাংলাদেশের বায়োটেকনোলজি ও বায়ো সিমিলার, ময়দায় ফোর্টিফিকেশন ওষুধ, খাদ্য শিল্পে বিকাশে প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) শিল্প উদ্যোক্তা,বিজ্ঞানীদের অবদান, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যত করনীয় আলোচনা এবং বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন, অর্থ কন্ঠ এবং এনআরবি অ্যাওয়ার্ড এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের উদ্যোক্তা, ওষুধের খ্যাতিমান বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক ও বিনিয়োগকারী সহ দেশের স্বাস্থ্য খাতে নতুন শিল্পায়নে উদ্যোগ এবং অসাধারন অবদান রাখায় স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক গ্লোবাল হেল সামিট ২০২৬ অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ সোহাগ সহ ১৮ ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান। 

সোহাগ জানান, এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা অ্যাওয়ার্ডে নিজেকে আরো উৎসাহিত করবে। তিনি আরো জানান, খাদ্য ফোর্টিফিকেশন, পুষ্টিবিজ্ঞান, বায়ো-এনজাইম প্রযুক্তি, গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) এবং গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ শিল্পসংশ্লিষ্ট নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বর্তমানে ২৮টি সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিয়ে পরিচালিত মীম শরৎ গ্রুপ দেশের অন্যতম বৃহৎ কৃষিভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফোর্টিফাইড আটা উৎপাদন, ফোর্টিফাইড রাইস কার্নেল ও মিক্সিং মিল, বিস্কুট শিল্প, সামুদ্রিক লজিস্টিকস, নির্মাণ ও আবাসন, রিয়েল এস্টেট, ফলের বাগান, লেমন গার্ডেন, চিংড়ি হ্যাচারি, আমদানি-রপ্তানি এবং বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত।

খাদ্য মূল্যশৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরে দীর্ঘদিন কাজ করার ফলে কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, প্যাকেজিং, লজিস্টিকস এবং ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপক সক্ষমতা গড়ে তুলেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ফার্মাসিউটিক্যাল ও নিউট্রাসিউটিক্যাল শিল্পের মূল ভিত্তি হলো গবেষণা, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং পুষ্টিবিজ্ঞানভিত্তিক পণ্য উন্নয়ন। এসব ক্ষেত্রে মীম শরৎ গ্রুপ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। দেশের খাদ্য ফোর্টিফিকেশন খাতে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। উৎপাদিত ফোর্টিফাইড আটা, ফোর্টিফাইড চাল এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট বিভিন্ন সরকারি পুষ্টি কর্মসূচি ও খাদ্য নিরাপত্তা উদ্যোগে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে ব্যবহৃত ফোর্টিফাইড বিস্কুট শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখছে।

গ্রুপটির উৎপাদিত ফোর্টিফাইড আটায় আয়রন, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিডসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সংযোজন করা হয়, যা গর্ভবতী মা, শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়ক।

এস্টোন সিংক: আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোহাগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীম শরৎ গ্রুপ।

অনুষ্ঠানের আয়োজক প্রফেসর ও গবেষক ডা. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, অন্য সব পণ্যতে ফোর্টিফিকেশন হয়েছে, কিন্তু মীম শরৎ গ্রুপ বাংলাদেশেই প্রথম আটা, ময়দায় ফোর্টিফিকেশন হয়েছে। ফোর্টিফিকেশনের কারণে এতে করে ১৯ টি ইনগেডিয়েন্ট, মাইক্রো নিউট্রিয়ান যেগুলো শরীরের জন্য দরকার এবং উপকারী। খাদ্যের পুষ্টিগতভাবে উপকারী, পুষ্টির যেই ঘাটতি কমে আসবে। এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

সিংক: প্রফেসর ডা.এম. নাসির উদ্দিন, পিএইচডি,এফএএইচএ, টেক্সাস ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ মেডিসিন, যুক্তরাষ্ট্র।

আন্তর্জাতিক গ্লোবাল হেলথ সামিট সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড প্রধান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পে রপ্তানি অনেক ভালো। রপ্তানির পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণকে, স্বল্পমূল্যে আমরা যেন ভাল মানের ওষুধ দিতে পারি। এদিকটা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের যেন বিদেশ থেকে ওষুধ কিনে বাংলাদেশে এসে চওড়া দামে কিনতে না হয়। সেজন্য আরও বেশি বেশি করে গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন।

গবেষণা ও উন্নয়ন ইউনিট বর্তমানে মানবস্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, বায়ো-এনজাইম প্রযুক্তি, ভিটামিন ও মিনারেল সাপ্লিমেন্ট, স্বাস্থ্য-সহায়ক উপাদান এবং গুণগত মান নিশ্চিতকরণ নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতে নিউট্রাসিউটিক্যাল, খাদ্য-সম্পূরক পণ্য, বিশেষায়িত পুষ্টিপণ্য এবং ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে গবেষণাভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতাও জোরদার করা হচ্ছে।

সিংক: ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।

পরে বাংলাদেশের ১০০ হেলথ কেয়ার টাইটেলস শীর্ষক বিশেষ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

Swapno

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher

Major(Rtd)Humayan Kabir Ripon

Managing Editor

Email: [email protected]

অনুসরণ করুন