রমজানে উত্তরায় জমজমাট ইফতারসামগ্রী বিক্রি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
পবিত্র রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজধানীর উত্তরা আবাসিক এলাকার বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে বসেছে ইফতারসামগ্রী বিক্রির স্টল। প্রতিদিন বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অস্থায়ী দোকান, ভ্যান ও টেবিলে সাজানো হয় ছোলা, পিঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, ডালপুরি, হালিম, মুড়িমাখা, খেজুর, শরবত, জিলাপিসহ নানা ধরনের ইফতারি। স্থানীয় বাসিন্দারা বাসার ইফতারের সঙ্গে অতিরিক্ত কিছু আইটেম যোগ করতে এসব স্টল থেকে কিনে নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তরা ৩, ৪, ৭, ৯ ও ১১ নম্বর সেক্টরের বিভিন্ন মোড়ে বিকাল ৩টার পর থেকেই ইফতারসামগ্রী বিক্রি শুরু হয়। আসরের নামাজের পর বা অফিস ছুটির সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে রোজাদারদের ইফতারি কেনার দৃশ্য চোখে পড়ে।
সবচেয়ে জমজমাট ইফতারসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের জমজম টাওয়ার এলাকায়। আশপাশে আবাসিক সেক্টর ও অফিস-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকায় এখানে একাধিক স্টল বসেছে। এছাড়া উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর রোড, ১২ নম্বর সেক্টরের খালপাড় ও রাজলক্ষ্মী এলাকার বিভিন্ন মোড়েও জমজমাট কেনাবেচা চলছে।
জমজম টাওয়ারসংলগ্ন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে ‘ষড়ঋতু’ রেস্টুরেন্টের ইফতার স্টলে ছোলা, পিঁয়াজু, বেগুনি ছাড়াও গরুর তেহারি, ভুনা খিচুড়ি, রুটি, শাসলিক, চিকেন জালি কাবাব, শামি কাবাব, কাটলেট ও হালিমসহ ২০-২৫ ধরনের খাবার পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে ‘স্পেশাল মোহাব্বতি শরবত’।
স্টলের বিক্রেতারা জানান, জালি ও শামি কাবাব প্রতি পিস ৬০ টাকা, বিফ তেহারি ২৫০ টাকা, চিকেন রোল ৮০ টাকা, শাসলিক ১৬০ টাকা, ডিমচপ ৪০ টাকা, কাটলেট ৭০ টাকা, শিক কাবাব ২০০-২৭০ টাকা, স্যান্ডউইচ ১০০ টাকা, হালিম ৩০০-১৫০০ টাকা, শাহী জিলাপি ৪৫০ টাকা এবং রেশমি জিলাপি কেজি ৬৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। মোহাব্বতি শরবত হাফ লিটার ১০০ টাকা ও এক লিটার ১৮০ টাকা।
ক্রেতারা জানান, বাসার ইফতারের সঙ্গে বাড়তি কিছু আইটেম যোগ করতে প্রতিদিন এখান থেকে খাবার কিনছেন তারা। বিক্রেতাদের দাবি, সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সাধ্যের মধ্যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।



