রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষা করে রাজধানীতে নতুন বছরে পটকা–আতশবাজি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০২ এএম
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন চলাকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নতুন বছর উপলক্ষ্যে পটকা ও আতশবাজি ফোটাতে দেখা গেছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে, অর্থাৎ ১ জানুয়ারির প্রথম প্রহরে, রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় আতশবাজি ও পটকার বিকট শব্দ শোনা যায়। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছুঁতেই নগরবাসীর একটি অংশ আতশবাজি ও পটকা ফাটিয়ে খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৬-কে স্বাগত জানায়।
প্রতিবছর থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনকে কেন্দ্র করে পটকা ও আতশবাজি ফোটানোর ওপর পুলিশের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এবার পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ উপলক্ষ্যে ডিএমপি শোককালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
তবে এসব নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বরাবরের মতো নতুন বছর উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, আতশবাজির ঝলকে ঢাকার আকাশ রঙিন হয়ে ওঠে এবং পটকার শব্দে মুখর হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা। যদিও আগের বছরের তুলনায় ফানুস ওড়ানোর ঘটনা তুলনামূলক কম ছিল।
অনেক এলাকায় রাত ১১টা থেকেই পটকা ফাটানো শুরু হয়। এতে বিরক্তি প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সংশ্লিষ্টরা জানান, পটকার উচ্চ শব্দ ছোট শিশু ও বয়স্কদের জন্য শারীরিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে শোক পালনকালীন সময়ে ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন এবং উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানোসহ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন সব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।



