বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে কোনঠাসা করার অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে : আজিজুল

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

যুগের চিন্তা রিপোর্ট : রিক্সা শ্রমিক নেতা আজিজুল হক বলেছেন,শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ কাজ করে। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে বিভিন্ন সময় বিতর্কিত করার চেষ্টা করে। ফতুল্লায় ১৯৯৮ সালে  রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন গঠন করা হয় (রেজি নং-ঢাকা-৩৭৩২ )। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা রিক্সা চালক ইউনিয়ন শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। 


শ্রমিকদের কাছ থেকে জোর করে চাঁদা উঠাতে না পেরে ফতুল্লায় একটি চক্র শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে। গত রোববার শ্রমিক নেতা আজিজুল হকের বিরুদ্ধে অটো মালিক শ্রমজীবী সমবায় সমিতির ব্যানারে ফতুল্লায় একটি নাম সর্বস্ব সংগঠন মানববন্ধন করে।  এ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।


১৯৯৮ সালে ফতুল্লা থানা রিক্সা চালক শ্রমিক ইউনিয়ন গঠিত হয়। বর্তমানে এই সংগঠনটি সদর উপজেলা রিক্সা চালক শ্রমিক ইউনিয়ন( রেজি নং-ঢাকা-৩৭৩২) হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। এই সংগঠনের  গঠনতন্ত্রের ৬ নং অনুচ্ছেদে ক ও খ নং অনুচ্ছেদে শ্রমিকরা নিজেদের কল্যাণে সংগঠিত হয়ে চাঁদা দেয়ার বিষয়টি বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। 


তবে সংগঠনের বাইরে কোন ব্যাক্তির কাছ থেকে কোন চাঁদা আদায় করা অবৈধ হিসেবেও গঠনতন্ত্রে রয়েছে। সদর উপজেলা রিক্সা চালক শ্রমিক ইউনিয়নের ৩ নং অনুচ্ছেদের ঠ ও ড অনুচ্ছেদে সদস্যদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও বাসস্থানের মানোন্নয়ন বিষয়ে উপধারা রয়েছে। সেই আলোকে সংগঠনের সদস্যরা চাঁদা দিয়ে সংঠনকে গতিশীল করে রাখছে। 


কিন্তু ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় একটি চক্র নিজেদের শ্রমিক সংগঠনের কথিত নেতা দাবী করে শ্রমিকদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন করছে অনেকদিন যাবৎ। চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে অনেক রিক্সা চালক বিশেষ করে ইজি বাইক চালককে ফতুল্লায় মারপিটের ঘটনাও ঘটেছে। এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় একাধিক অভিযোগও দেয়া হয়েছে। এমনই দাবী করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা রিক্সা চালক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক হাওলাদার।  


তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন প্রসঙ্গে আজিজুল হক বলেন,ভুঁইঘর ও কুতুবপুরের ইজিবাইক ও রিক্সা চালকদের জিম্মি করে একটি চক্র চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছে। শ্রমিক সংগঠনের নাম বিক্রি করে যারা চাঁদা আদায় করে নিজেদের পকেট ভাড়ী করতে চায় তারাই শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কুৎসা রটায়।


 শ্রমিকদের ভাগ্যের কোন উন্নয়নের কথা চিন্তা না করে যারা শ্রমিকদের জিম্মি করে নিজেদের ভাগ্য উন্নোয়ন করতে চায় তারাই শ্রমিক নেতৃবৃন্দের কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাচ্ছে। সময় মতো তাদের বিরুদ্ধে সমস্ত শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ রাজপথে নামবে। 


যখন এই অঞ্চলে  রিক্সা শ্রমিকরা অসহায় হয়ে পড়েছিল তখন শ্রমিক নেতা কাউসার আহম্মেদ পলাশ  শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়নের আওতায় নিয়ে এসেছিল। এখন অনেকেই শুধু ইজি বাইক নেতা হতে মাঠে নানা রকম খেলায় নামছে। যা কঠিন জবাব  দিতে আমরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছি।   
 

এই বিভাগের আরো খবর