সোমবার   ১৪ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬   ১৪ সফর ১৪৪১

শুধু মন্ত্রী নয়, সেলিম ওসমানের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন আইনজীবীরা

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : শুধু মন্ত্রী নয়, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমানের দিকেও তাকিয়ে রয়েছে আইনজীবীরা। রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় আইনজীবী সমিতির সম্মেলন কক্ষে বর্তমান কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে আইন মন্ত্রী আনিসুল হক নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির ৮ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ডিজিটাল বার ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর আনুষ্ঠানিকাভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। 

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এ অনুষ্ঠানেই আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তাঁরা যে অনিশ্চয়তার মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছেন তাঁর সমাধান করে দিবেন দানবীর হিসেবে খ্যাত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান। আইনজীবীরা বলেন, এমপি সেলিম ওসমান আইনজীবীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে নতুন করে এ বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন। 

সেই অনুযায়ী বর্তমান কমিটি কাজ গুছিয়ে নিয়ে এসেছে। কিন্তু পুরাতন ভবন ভাঙার আগে আইনজীবী সমিতির ফান্ডে সেলিম ওসমানের দেয়া  সহযোগিতার অর্থ যোগ হওয়ার বাস্তবরূপ দেখতে চায় আইনজীবীদের একটি অংশ।

তারা বর্তমান ইসি কমিটিকে এ ব্যাপারে ব্যাপক চাপের মুখে ফেলেছিল। ইসি কমিটিকে দেয়া কথা অনুসারে সেলিম ওসমানের অনুদান ফান্ডে যোগ হলেই নতুন এ ৮তলা ভবনের ফাউন্ডেশন নির্মাণে কোন বাঁধা থাকবে না। 

বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সহ জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র আইনজীবীরা মূলত সেলিম ওসমানের অর্থ ছাড় করা নিয়ে চিন্তিত। রোববার নতুন ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই সেলিম ওসমান এ সমস্যাটির সমাধান করে দেবেন বলে মনে করছেন সকলেই।

রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় নতুন ভবন নির্মার্ণের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইন মন্ত্রী আনিসুল হক। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি সেলিম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের গোলাম দস্তগীর গাজী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট  হোসনে আরা বেগম বাবলী প্রমুখ। 

আইনজীবীরা জানান, সেলিম ওসমান এ পর্যন্ত দেয়া কথাগুলোর সবগুলোর বাস্তবায়ন করেছেন। আইনজীবীদের যে স্বপ্ন তিনি দেখিয়েছেন। নতুন বার ভবন নির্মার্ণে প্রাথমিক অর্থছাড় করে  সকল সমালোচনার মুখ বন্ধ করে দেবেন বলে বিশ্বাস করেন সাধারণ আইনজীবীরা।  

জানা যায়, বর্তমান ইসি কমিটির বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) বহুতল বিশিষ্ট বার ভবনের নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর সুন্দর পরিবেশে কাজ করার একদিকে আইনজীবীরা যেমন আশায় বুক বেঁধেছেন। আধুনিক বার ভবন নির্মাণের যে কর্মযজ্ঞটি হাতে নেওয়া হয়েছে তার বাস্তবিক রূপ, অর্থের যোগান, সামঞ্জস্যতা, বৈপরিত্য নিয়েও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।  

আইনজীবী  সমিতির বহুতল বিশিষ্ট বার ভবনের স্বপ্ন দেখা শুরু ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর । সেদিন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপি আইনজীবী সমিতির ভবনে এসে আইনজীবীদের দাবি অনুযায়ী দুই কোর্ট একসাথে নতুন কোর্ট প্রাঙ্গণে রাখার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান। 

সেদিন এমপি সেলিম ওসমান আইনজীবীদের সুবিধার করথা বিবেচনা করে নতুন করে বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন। তখনকার বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দিপু বহুতল বিশিষ্ট নতুন বার ভবন নির্মাণে সাংসদ সেলিম ওসমানকে সহযোগিতা করার জন্য অ্যাড. হোসনে আরা বাবলীকে আহবায়ক করে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েলকে সদস্য সচিব করে এবং অ্যাড.খাকন সাহাকে সদস্য করে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে তা অনুমোদিত হয়।

প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় পর ২০১৮ সালে ২০ জুন আইনজীবী সমিতির বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দাখিলী দরখাস্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ‘নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির’ পুরাতন জরাজীর্ন, ঝুকিপূর্ণ ভবনসহ নতুন ভবন নির্মাণের অনুমতি এবং নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যম হয়ে মন্ত্রী আনিসুল হক বরাবর আবেদন প্রেরণ করা হয়।

এই আবেদনের প্রেক্ষিতে  বতর্মান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পদক বরাবর আইন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সৈয়দা কানিজ কামরুন নাহার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিচারপ্রার্থী  জনগণ  এবং আইনজীবীদের কথা বিবেচনা করে বারের পুরাতন জরার্জীণ, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও টিনশেডের স্থলে শুধুমাত্র আইনজীবী সমিতির নিজস্ব জায়গায় নতুন ভবন নির্মাণের অনুমতি প্রদান করা হয়। 

তবে জেলা জজ আদালতের কোন জায়গায় কোনভাবেই কোন নির্মাণ কাজ করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়। এবং এই প্রজ্ঞাপনে সকলের জ্ঞাতার্থে নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ, আইন মন্ত্রীর একান্ত সচিব, সচিবের একান্ত সচিব বরাবরও প্রেরণ করা হয়।

গণপূর্ত অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলার ডিজিটাল জরীপের সূত্রে যায়, জেলা ও দায়রা জজ আদালত তিনতলা ভবনের পূর্বদিকে আইনজীবী সমিতির চারতলা বিশিষ্ট ভবনসহ, টিনশেড ভবন, মুহুরী সমিতির ভবন ও মসজিদ সহ মোট জায়গার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ। 
এর মধ্যে আইনজীবী সমিতির বর্তমান মূল চারতলা ভবন প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ জুড়ে। আর বাকি অংশে গড়ে উঠেছে এর বাকি স্থাপনাগুলো।

বহুতল বিশিষ্ট বারভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল বলেন, প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ জায়গার উপর আইনজীবী সমিতির ৮ তলা ভবনের ৮ হাজার স্কয়ারফিটের নতুন ভবনের নকশাও তৈরী হচ্ছে। এতে দুটি লিফট এবং সিড়ির সুবিধা থাকবে। ইতিমধ্যে ভবন নির্মাণের জন্য সয়েল টেস্ট (মাটি পরীক্ষা) করতে পাঠানো হয়েছে। 

নিচতলায় মুহুরী সমিতি, একটি মসজিদ এবং একটি ক্যান্টিনের জন্য জায়গা বরাদ্দ থাকবে।  দ্বিতীয় তলায় সুরুজ আলী মিলনায়তন, ডাক্তারের চেম্বার থাকবে। তৃতীয় তলায় ২৪২ জন (রেগুলার ১৪৯ জন) মহিলা আইনজীবীদের জন্য ১৫ শো স্কয়ার ফিটের কমন রুম এবং লাইব্রেরী থাকবে। 

বর্তমান বার ভবনে আইনজীবীদের যেখানে বসার জন্য ১৮শো স্কয়ারফিট জায়গা রয়েছে সেখানে নতুন তৈরী করা ভবনে থাকবে ৩৬ শো স্কয়ার ফিট জায়গা।  চতুর্থ তলায় আইনজীবীদের জন্য ৬ হাজার স্কয়ারফিটের হলরুম থাকবে। 

৫ম তলা, ৬ষ্ঠ তলার প্রায় ২০০টি চেম্বাররুম, ৭ম তলায় হলরুম এর উপরে থাকবে ফটোকপি, টাইপসহ ইত্যাদির করার ব্যবস্থা থাকবে। নিচ তলা পুরোপুরি সম্পন্ন করার জন্য আমাদের আনুমানিক ১ কোটি বা তারচেয়ে বেশি টাকা লাগবে। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান এই টাকাটি দেবেন। 

যদি এখানে কোন সমস্যা হয় তারপরে আমাদের আইনজীবী সমিতির খাওয়া-দাওয়া বাবদ বছরে ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হয় । প্রয়োজন পড়লে এই ব্যয় কমিয়ে ৩ বছরে ১ কোটি টাকা জমা করা হবে।  বলতে চাই ফান্ডিং এখানে সমস্যা নয়, কাজটিই মূল।

তবে এ ভবনের নির্মাণ কাজ করা পর্যন্ত সবাইকে একটু কষ্ট করতে হবে। আইনজীবীরা তাতে সায় দিয়েছেন। ডিসি সাহেব ও জজ সাহেব বারের স্বার্থে সহযোগিতার করার জন্য প্রস্তুত আছেন বলে জানিয়েছেন। এখন আমরা সব মিলিয়ে সাড়ে ৫ হাজার স্কয়ারফিট জায়গা ব্যবহার করছি। 

শুধুমাত্র ওই ভবনের নিচতলাটির কাজ কমপ্লিট (সম্পন্ন) হয়ে গেলে আমরা ৬ হাজার স্কয়ার ফিট হবে। আশা করি প্রাথমিক কাজে আইনজীবী সকলের কাছে সহযোগিতা পাবো। ভবন নির্মাণের আগে  বিশেষ সাধারণ সভার মাধ্যমে দ্রুত পুরাতন বার ভবন ভাঙা এবং নতুন ভবন নির্মাণের পুরো প্রক্রিয়া তদারকির জন্য কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

গণপূর্ত বিভাগ নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী  মো. মাহবুবুর রহমান জানান, বারভবন থেকে মসজিদ পর্যন্ত সবগুলো স্থাপনায়ই তৈরী হয়েছে সরকারি জায়গায়। এসব স্থাপনা ভেঙে নতুন ৮ তলা ভবন তৈরী করার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় চিঠি দিলে আমরা এ সম্পর্কে জানতে পারবো। 

চিঠির ভাষা দেখলে আমরা সেটি বুঝতে পারবো। তাঁরা এ বিষয়ে আমাদের সাথে কথা বলবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি থাকলে এ ভবনটি হয়তো করতে পারবে। আর এটি না হয়ে থাকলে পরবর্তীতে সবার সাথে কথা বলে বিষয়টি সম্পর্কে জানানো যাবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও নতুন বার ভবন নির্মার্ণে কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, বারভবন নির্মাণে সকল আইনজীবী একবাক্যে সম্মতি জানিয়েছেন। ইজিএম এ বহুতল বিশিষ্ট বার ভবনের সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

এরপর হচ্ছে পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন। পরিকল্পনা করার জন্য একটি স্ট্যান্ডিং বা স্ট্রাকচার নির্মাণ কমিটি গঠন করতে হবে  এবং তাদের দায়বদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হবে। সরকার যখন একটি দপ্তর করার পর সকল বিষয়ে সকল সেক্টর থাকে, আদালতের সাথে আইনজীবীদের জন্য একটি জায়গা নির্দিষ্ট থাকে সেটি সরকারী, বেসরকারি সম্পত্তিতেও হতে পারে। 

সরকারের উচ্চ পর্যায়ের থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েই এই ভবনটি হবে । বেআইনীভাবে নয়, সরকারি আইনকানুন মেনে সকল কিছু সম্পন্ন হওয়ার পরই ভবন নির্মার্ণের কাজ শুরু হবে।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখি আধুনিক বার ভবন হোক। কিন্তু অবাস্তব পরিকল্পনা নিয়ে নয়। সভাপতি আমাদের শুধুমাত্র মানচিত্র দেখিয়েছেন কিন্তু বাজেট উপস্থাপন, অনুমোদন এবং মতামত নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে সেটি করা হয়নি। 

বহুতল ভবন করার অর্থের উৎস কি? বলা হচ্ছে, একজন করে দেবে, তিনি কতটুকু করে দেবেন নাÑকি টাকা দেবেন সেগুলো তো জানাতে হবে। অনুদান নেয়া যেতে পারে তবে সেটি পরিষ্কার করে বলা থাকতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, বারের উন্নয়ন হবে সেটি অবশ্যই ভালো উদ্যেগ। কিন্তু যে ফান্ড আসবে সেটির নিয়ম হলো টেন্ডার দেওয়ার আগে যেখান থেকে টাকাটি আসবে তা ফান্ডে জমা হতে হবে, এক্ষেত্রে ফান্ডে টাকা যে আসবে সেটির নিশ্চয়তা কি? 

যে টাকাটি বরাদ্দ হবে সেটির আনুমানিক ব্যয় নির্ধারণ করা লাগবে, ভবনের নকশাটি রাজউক দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে, আর্কিটেকচারাল ভিউটি আইনজীবীদের কাছে তুলে ধরতে হবে। না হলে পুরো বিষয়টি একটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। আইনজীবীদের একজন সদস্য হিসেবে মনে করি, সরকারি যে নিয়ম-নীতি অনুসারে করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও সাবেক আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দিপু বলেন, ২০১৬ সালে আমি সভাপতি থাকা অবস্থায় বারের উন্নয়ন কাজ করতে হবে এ মর্মে রেজুলেশন দিয়েছিলাম সেই প্রক্রিয়ায়ই এখন কাজ হচ্ছে। 

আধুনিক বার ভবন নির্মাণের জন্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি বলেছেন তিনি পুরো অর্থের যোগানটি দেবেন। এছাড়া আমাদেরও নিজস্ব ফান্ড রয়েছে।  

আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, বারের উন্নয়ন সকলেই চায়। কিন্তুবিকল্প চিন্তা না করে, কোন দিক নির্দেশনা না দিয়ে আইনজীবীদের বর্তমান ভবন ভেঙে ফেললে আইনজীবীরা বেকায়দা পড়বে। অর্থের যোগান নিয়েও রয়েছে অস্পষ্টতা।
 

এই বিভাগের আরো খবর