বুধবার   ২৭ মে ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৭   ০৪ শাওয়াল ১৪৪১

লে-অফ ঘোষণা করলে সরকারি প্রণোদনা পাবে না 

প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০২০  

যুগের চিন্তা ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। বন্ধ হয়ে গেছে দেশের সকল শিল্প কলকারখানা। এই দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য ইতিমধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। তবে কেনো শিল্প প্রতিষ্ঠান লে-অফ ঘোষণা করে তাহলে ওইসব প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে ঋণ পাবে না বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। 


সরকারি প্রণোদনা ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে ঋণ বিতরণে এসব নির্দেশনা দিয়ে রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। 


অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, নভেল করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের কারণে সচল রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যে ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে অর্থ বিভাগের মতামত হচ্ছে;  যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান ৮০ শতাংশের অধিক সরাসরি পণ্য রপ্তানি করে থাকে তাদের এলসি পরীক্ষা সাপেক্ষে কেবলমাত্র শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের লক্ষ্যে গঠিত ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল হতে ঋণ দেওয়া যাবে। তবে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান যদি লে-অফ ঘোষণা করে তাহলে ওইসব প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে ঋণ পাবে না।


এছাড়া রপ্তানিকারক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো এসএমইর জন্য গঠিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ হতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। যা দিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে। 


প্রসঙ্গত, লে-অফ হল কোনো কারখানায় কাঁচামালের স্বল্পতা, মালামাল জমে যাওয়া কিংবা যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ায় শ্রমিককে কাজ দিতে না পারার অক্ষমতা প্রকাশ করা। শ্রম আইন অনুযায়ী, লে-অফ চলাকালে প্রথম ৪৫ দিনের ক্ষেত্রে পূর্ণকালীন শ্রমিকের মোট মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতার অর্ধেক দিতে হয় মালিককে। পরের ১৫ দিনের জন্য শ্রমিক পাবে পাবে ২৫ শতাংশ মূল বেতন এবং বাড়ি ভাড়া।
 

এই বিভাগের আরো খবর