শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারণ করে রাজনীতি করছি : মমতাজ হোসেন

প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০১৯  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : শনিবার একান্ত স্বাক্ষাতকারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বিশেষ সহকারি ও ব্রুনাই দারুসসালামের সাবেক রাষ্ট্রদূত মমতাজ হোসেন বলেছেন, আওয়ামী লীগে আমার রাজনীতিক জীবনে অতীতে কারোর সঙ্গে র্দুব্যবহার বা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ উপর্জন করেনি। এই দু’টি  শব্দ আমার ডিক্শনারিতে নেই। কোনো দিন ক্ষমতার অপব্যবহারও করেনি। 

নিজেকে পরিচ্ছন্ন রেখেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশকে বুকে ধারণ করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। সততা ও ন্যায় নীতি বজায় রেখে রাজনীতি করেছি। নিজের ইমেজকে কখনো সংকটের মুখে ফেলিনি। তিনি বলেন, দলকে কাজে লাগিয়ে নিজের লাভ হলেও দলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষতুœ হয়ে যায়। রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের কোনো বিকল্প নেই। 

ইমেজ সৃষ্টি করতে হলে মানুষকে ভালোবেসেই করতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের পাশাপাশি তার মমতাময়ী ভালোবাসা দেশবাসীর মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন। আমি আওয়ামী লীগের র্দুসময়ে নারায়ণগঞ্জ-২, আসন আড়াইহাজারে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। বিএনপি-জামায়ত জোট সরকারের আমলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আড়াইহাজারে আওয়ামী লীগ পরিচালনা করেছি এবং জাতীয় শোক দিবস পালন করেছি। 

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজ খবর নিয়েছি। এতে আমি আড়াইহাজার উপজেলাবাসী  তথা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভালোবাসাও পেয়েছি। এদিকে স্থানীয় উচিৎপুরা ইউপি আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা আক্কাস আলী বলেন, মমতাজ হোসেন আওয়ামী লীগের র্দুঃসময়ে আড়াইহাজারে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তিনি নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। এখনো করছেন। 

দলের মধ্যে অনেক অনুপ্রেবশকারী এখন দলের বড়নেতা বনে গেছেন। তাদের কারনে দলের অনেক বদনাম হয়েছে। আড়াইহাজারে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা এখন অবহেলিত। তিনি আরও বলেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত মমতাজ আড়াইহাজার আওয়ামী লীগের মধ্যে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ও ইমেজধারী নেতা। তাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশাও অনেক। 

প্রসঙ্গত, মমতাজ হোসেন ১৯৭৫ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন। ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি ব্রুনাইয়ের দারুসাসালামে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালে তিনি নারায়ণগঞ্জ-২, আড়াইহাজারে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অংশ নেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৭০ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত জগন্নাথ কলেজে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এমএ পাশ করেন।


 

এই বিভাগের আরো খবর