বৃহস্পতিবার   ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   ফাল্গুন ১০ ১৪৩০

চূড়ান্ত যুদ্ধ: ‘ব্যাটল অব খেরসন’

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২২  

 

ইউক্রেনে চলা ভয়াবহ যুদ্ধে রাশিয়ার দখল করা একমাত্র প্রাদেশিক রাজধানী ও বৃহত্তম ভূখণ্ড হলো খেরসন। বিশাল অঞ্চলটি পুনরুদ্ধারে দিনকে দিন ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের পাল্টা আক্রমণ অনেকটা দিশেহারা রুশ বাহিনী। বিশ্লেষকরা বলছেন, খেরসনকে কেন্দ্র করে সামনে একটা প্রবল যুদ্ধ অপেক্ষা করছে, যার কারণে অঞ্চলটির বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার অনুমোদনও দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

 

 

কৃষ্ণ সাগরের উপকূলে অবস্থিত ইউক্রেন-রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খেরসন। ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর দিকেই অঞ্চলটি দখলে করে নেয় রাশিয়া। এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে, কিয়েভ তার হারানো ভূখণ্ড ফিরে পেতে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে রুশ বাহিনীর ওপর।

 

 

ইউরোপে শীত পড়তে শুরু করেছে। ভারী তুষারপাত শুরু হলে অঞ্চলটিতে যুদ্ধ করাটা কঠিন হয়ে পড়বে। শুক্রবার বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শীত জেকে বসার আগেই প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার প্রস্তুতির জন্য খেরসনের একটি অংশ ছেড়েও দিতে পারে মস্কো।

 

 

খেরসনকে ঘিরে দিনেপ্রো নদীর আশপাশে অনেক শহর আর গ্রাম ছড়িয়ে রয়েছে। নদী হয়ে খেরসনের অনেক বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়েছে মস্কো সমর্থিত প্রশাসন। তাদেরকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার দাবি করা হয়েছে।

 

 

গ্রীষ্মকাল থেকেই খেরসন পুনরুদ্ধারে ছক একে এগুচ্ছে ইউক্রেন। ইউক্রেনীয়রা খেরসন পুনরুদ্ধারে ব্যাপারে খুবই সিরিয়াস বলেই মনে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, একটি বিজয় দরকার। এটি শুধু ইউক্রেনের নাগরিকদের মনোবল চাঙা রাখার জন্যই নয়, মিত্রদের আশ্বস্ত করার জন্য যে ইউক্রেন একটি যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে।

 

 

খেরসন রণক্ষেত্রে নিজেদের সেনাবাহিনীর অগ্রগতির বিষয়ে চরম গোপনীয়তা বজায় রাখছে ইউক্রেন। পাশাপাশি রাশিয়ার পিছু হটার বিভিন্ন খবরে তারা সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছে। গত সপ্তাহে তারা বলেছে, রুশ সেনা প্রত্যাহারের কোন ইঙ্গিত দেখতে পায়নি রণক্ষেত্রের যোদ্ধারা। বাস্তবে নিজেদের সেনা মোতায়েন বাড়াচ্ছে। সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান অবলম্বনে

এই বিভাগের আরো খবর