বুধবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   ফাল্গুন ৮ ১৪৩০

ওসমান পরিবারের নাম ব্যবহার করে বেপরোয়া শিমুল-জামান বাহিনী

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০২৪  


# ইসদাইরে প্রায় ৫টি হত্যা কান্ডের মূলে রয়েছে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন।
# শিমুলের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, চাদাঁবাজি সহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

কাচাঁ মালের মত হকারী করে মাদক বিক্রি করে হচ্ছে চাষাড়া ও ইসদাইর রেল লাইন এলাকায়। যা নিয়ন্ত্রণ নিতে ইসদাইরে প্রায় ৪ থেকে ৫ টি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। যাদের মধ্যে অন্যতম হলো ফতুল্লা ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ফারুক হোসের শিমুল। ইসদাইর এলাকায় ডিস, ইন্টারনেট, ও ইট বালুর ব্যবসার নামে মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দাদা।

 

 

তার অন্যতম সহযোগি হলেন, জামান, জুয়েল, জিবু ও ফতুল্লা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল আউয়াল। ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাসুমের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত। মাসুমের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে স্থানীয় পর্যায়ের যেকোন কর্মকান্ডের অগ্রভাগে দেখা যায় ফারুক হোসেন শিমুলকে।

 


তবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সস্তাপুর এলাকায় যুবলীগে নেতা জাহাঙ্গীরকে মারধরের ঘটনায়কে কেন্দ্র করে পুরো আলোচনায় রয়েছে শিমুল, জামান, জুয়েল ও মেম্বার আউয়াল এর নাম তবে ঘটনার পরেই থানা পুলিশ তাদের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন তার পর থেকে এলাকা ছাড়া রয়েছে তারা শিমুল ও তার সহযোগিরা।

 

 

শিমুল ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক যার নামে হত্যা , মাদক ও চাদাঁবাজি সহ নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের হাতে বেশ কয়েক বার আটক হলেও আবার জামিনে এসে ফের চালিয়ে যাচ্ছে তার কর্মকাণ্ড। তার এসকল কর্মকান্ডের জন্য গড়ে তুলেছেন বিশাল এক বাহিনী।

 


বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা ও ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের সন্তান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানে ও তার স্ত্রী সালমা ওসমান লিপি এবং সন্তান অয়ন ওসমানের সাথে বিভিন্ন সময় ছবি তুলে সে ছবিকে ব্যবহার করে সদর উপজেলার সস্তাপুর, ইসদাইর বুড়ির দোকান, ইসদাইল রেল লাইন।

 

 

 চানমারী ও চাষাড়া এলাকায় চালিয়ে যাচ্ছে নানা ধরনের অপরাদ মূলক কর্মকাণ্ড। ওসমান পরিবারে নাম বিক্রি করে সাধারণ মানুষের মাঝে আতংক তৈরি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শিমুল ও জামাল বাহিনী।

 


সূত্রে বলছে, জানা গেছে, গত ২০২১ সালের ২৮ জুন মাদকের মাসোহারাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় নির্দোষ রাজমিস্ত্রী রুবেল হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৩০ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ভাই।

 

 

এই মামলার এজাহারে উভয় পক্ষকেই আসামীর তালিকায় আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে উভয় পক্ষের মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো শিমুল, সম্রাট, সেলিম, আলী, রাকিব ওরফে টাইগার, বিজয়, মনির হোসেন ও শাহতাজ।

 


ইসদাইর এলাকার যে সকল হত্যা কান্ডগুলো ঘটেছে তার অন্যতম কারন হলো মাদক। যা বর্তমানে নিয়ন্ত্রন করে আসছে শিমুল ও জামাল বাহিনী যে খান থেকে প্রতিমাসে লাখ টাকার উপরে চাঁদার ভাগ নেন নামধারী সে সকল বড় ভাইয়েরা। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান হত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকে নারায়ণগঞ্জকে মাদক মুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

 

 

কিন্তু তাদের সাথে ছবি তুলে তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করে তার পিছনে চালিয়ে যাচ্ছে বিশাল কিশোরগ্যাং গ্রুপ যাদের প্রায় সময় দেখা মিলে ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিয়ে। যাদের ভয়ে কোন ঠাশা হয়ে পরেছে সাধারন মানুষ। তাই এসকল নাম ধারী বড় ভাইদের কাজ থেকে রক্ষা চায় এলাকাবাসী।

এই বিভাগের আরো খবর