মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ১ ১৪২৬   ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০

এইচটুও রেস্টুরেন্টের আমন্ত্রণও পেয়ে গেলেন অবশেষে

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০১৮  

বিনোদন ডেস্ক (যুগের চিন্তা ২৪) : গেলো ৩০ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে এক জাঁকজমক আয়োজনে পর্দা নামলো মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮ এর গ্র্যান্ড ফিনালের। এবারের আসরে মুকুট জয় করে নিলেন বরিশালের পিরোজপুরের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।

তবে বিজয়ি ঐশীকে ছাপিয়ে ভিন্ন কারণে আলোচনার শীর্ষে আসরের সেরা দশ প্রতিযোগীদের একজন সুমনা নাথ অনন্যা। তাকে বিচারক খালেদ হোসেন সুজন প্রশ্ন করেছিলেন 'এইচটুও কি' এমন প্রশ্নে সুমনা যদিও প্রথমে জানেন না বলে জবাব দেন। পরে এক পর্যায়ে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি জানেন ‘এইচটুও’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট আছে ধানমন্ডিতে’।

এমন উত্তরে দর্শকমহল সহ সারাদেশের মানুষ ও পুরো ফেসবুকময় এ বিষয়টিকে বেশ হাস্যকরভাবে নিয়েছে। ‘এইচটুও’ শব্দটিও সারাদেশে ভাইরাল হয়ে গেছে। যতো যাই হোক, এই ঘটনায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে ‘এইচটুও’ রেস্টুরেন্ট। বিনামূল্যে কোটি টাকার প্রচার প্রচারনা হয়ে গেছে  তাদের।

আর তাই যার হাত ধরে এলো এই প্রচার তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করেননি রেস্টুরেন্ট কর্তৃৃপক্ষ। অনন্যাকে আমন্ত্রণ করেছিলেন তারা। আমন্ত্রণ পেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় ‘এইচটুও’র ধানমন্ডি শাখাতে অংশ নেন অনন্যা। সেখানে তাকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আপ্যায়ন করা হয়।

এ বিষয়ে সুমনা নাথ অনন্যা বলেন, ‘প্রত্যকেটা জিনিসেরই পজেটিভ ও নেগেটিভ দিক রয়েছে। আমার নার্ভাসনেসের সুযোগে একটা বিষয় নেগেটিভলি ভাইরাল হয়ে যায়। কিন্তু অনেকে এটাকে পজিটিভলিও নিয়েছেন। বিশেষ করে 'এইচটুও’ রেস্টুরেন্ট এটিকে তাদের প্রমোশন বলেই ভেবেছেন। তারা আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।’
 
অনন্যা জানান, ধানমন্ডি ও বনানী শাখা থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডি শাখাতে যান অনন্যা। সেখানে তাকে পেয়ে সবাই সেল্ফি নেওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আজ কিংবা আগামীকাল ‘এইচটুও’ রেস্টুরেন্টের বনানী শাখাতেও যাবেন তিনি।
 

এই বিভাগের আরো খবর