বৃহস্পতিবার   ২৮ মে ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭   ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

আমার বাড়ি আমার দায়িত্ব : কাউন্সিলর রুহুল (ভিডিও)

প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২০  

যুগের চিন্তা ২৪ : নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. রুহুল আমিন মোল্লা বলেছেন, করোনা ভাইরাস কতটা মারাত্বক সেটা সম্পর্কে সবাই এখন অবগত। 


দলমত নির্বিশেষে করোনা মোকাবেলায় আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। সকলকে এই স্লোগানে আসতে হবে, আমার এলাকা আমার দায়িত্ব, আমার বাড়ি আমার দায়িত্ব। তবেই আমরা এই মহামারি থেকে রক্ষা পাবো। 


শনিবার (৪ এপ্রিল) যুগের চিন্তা’র টক শো অনুষ্ঠানে করোনা ভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি ও প্রতিরোধ সম্পৃক্ত আলোচনায় এসব মন্তব্য উঠে আসে আলোচকের কাছ থেকে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন চ্যানেল আই এর বিশেষ প্রতিনিধি মোরছালিন বাবলা। 


করোনা প্রতিরোধে জনগনকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নিয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রামণের শুরু থেকেই বিভিন্ন সামাজিক সংস্থা থেকে পরামর্শ নিয়ে আমরা সচেতনা বৃদ্ধি হয় বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছি। কারণ সচেতনতার মাধ্যমেই করোনায় প্রতিরোধ সম্ভব।  


এলাকায় মাস্ক ও ২০ হাজার লিফলেট বিতরণ করেছি। ওয়ার্ডবাসীকে ব্লিচিং পাওডার দিয়ে জীবাণুনাশক তৈরীর নিয়ম বলে দিয়েছি। যেন তারা নিজেরাই নিজেদেও ঘর সহ বাড়ির আশে পাশের স্থানকে জীবাণুমুক্ত রাখতে পারে।  এছাড়া সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পাড়া-মহল্লার সকল সড়ককে জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।


৮নং ওয়ার্ডে অতিরিক্ত জনসমাগম ও চায়ের আড্ডা বন্ধ করার ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা নিয়ে বলেন, আমার এলাকায় সেচ্ছাসেবী নিয়োগ করা হয়েছে। এলাকার সকল মুদি দোকানদের সাথে কথা বলে বিকাল ৫ টার পরে মানুষের সমাগম , চায়ের আড্ডা বন্ধ করার ব্যবস্থা করেছি। 


তবে প্রশাসন থেকে আরেকটু কঠোর  পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।  নিম্নআয়ের মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ নিয়ে বলেন, আমার ওয়ার্ডের ৭২০টি পরিবারকে নিজ অর্থায়নে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি পেয়াজ, ১ কেজি ডাল ও ১ লিটার তেল বিতরণ করেছি। 


যাদের সাহায্যের প্রয়োজন তাদের তালিকা করে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এরূপ আরেকটি তালিকা করা হয়েছে। সরকার থেকেও ত্রাণ পাঠানো হবে। যাদের প্রয়োজন হবে তাদেরকেই ত্রাণ দেওয়া হবে। কোন সাবলম্বী মানুষকে ত্রাণ দেওয়া হবে না।


৮নং ওযার্ডের রিফোজি ক্যাম্প ও ভবঘুরে কেন্দ্রে সহযোগিতার প্রসঙ্গে বলেন, ভবঘুরে সরকারি সংস্থা এটি ঠিকভাবেই চলছে। তবে রিফোজি ক্যাম্পের ১০০ পরিবারকে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। আরো ১০০ পরিবারের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পুরো ক্যাম্পে কিছু সাবলম্বী পরিবারও রয়েছে। এছাড়াও পর্যবেক্ষন করা চলছে।


ওয়ার্ডের বিত্তবান ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে বলেন, করোনায় মহামারী আকার ধারণ করার পূর্বেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এলাকাবাসীকে সহয়তা করুন।


আমার ওয়ার্ডে কোন রোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাদেরকে অবগত করা হলেই সিটি করপোরেশনের সাথে যোগাযোগ করা হবে। দ্রুত তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান কাউন্সিলর মো. রুহুল আমিন মোল্লা।


করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়ে বলেন, ডেঙ্গু মোকাবেলায় এলাকায় এলাকায় সচেতনাতা বৃদ্ধিও জন্য কমিটি করা হয়েছে। সেই সাথে নাসিক মেয়রের কাছে এডিস মশা মোকাবেলায় কর্মীদের যন্ত্রপাতি দেওয়ার জন্য আবেদন করব।
 
 

এই বিভাগের আরো খবর