১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ

প্রকাশিত: ০০:৫৭, ১৮ অক্টোবর ২০২১

১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ

গাজীপুরের শ্রীপুর ডিগ্রি কলেজের (বর্তমানে শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ) অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ অধ্যক্ষ পদ ফিরে পেতে নিম্ন আদালতে মামলা দায়েরের ১১ বছর পর পক্ষে রায় পেয়েছেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত তার পক্ষে ওই রায় দেন। রবিবার মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে, ওই রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ তথা কলেজের পক্ষ থেকে গাজীপুর জেলা জজ আদালতে একটি আপিল মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে। ফলে উচ্চ আদালত আপিলের বিষয়টি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত নিম্ন আদালতের রায়টি অকার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী এমদাদুল হক মাসুম। 

মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দের আইনজীবী এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ জানান, গাজীপুর আদালতে অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ দেওয়ানি মামলার আইনি লড়াই শেষে প্রায় ১১ বছর পর গাজীপুরের পঞ্চম সিনিয়র জজ আদালত থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর স্বপদে বহালের রায় পান।

বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এমদাদুল হক মাসুম বলেন, ‘মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ অধ্যক্ষ থাকাকালে ২০০৯-এর ২৮ মার্চ কলেজ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের ১৪ মাস পর ২০১০ সালের ৩ মে চাকরি ফিরে পেতে গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন।’ 

রায়ের ব্যাপারে বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, মামলাটির বাদী সরকার, তাই নিম্ন আদালত রায় দিলেও আদালতের জিপির (সরকারি কৌঁসুলি) মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এর আগেই ওই রায়ের বিরুদ্ধে রবিবার গাজীপুর জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ তথা কলেজ পক্ষ থেকে আপিল করা হয়েছে। আপিলের কপি শিক্ষা অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়েছে। আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য তা আমলে নিয়েছেন।  

শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের সভাপতি ও শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘রায়ের কপি এবং আপিলের কপি দুটোই আমার হাতে এসেছে। ওই শিক্ষকের যোগদানের বিষয়ে শিক্ষা অধিদফতর থেকে কোনও অফিসিয়াল নির্দেশনা পাইনি। এ বিষয়ে আইন কী বলে তা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’