মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ২৪ ১৪২৬   ১৩ শা'বান ১৪৪১

জমি সংক্রান্ত বিরোধে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে জখম

যুগের চিন্তা

প্রকাশিত : ০৯:১১ পিএম, ২৪ মার্চ ২০২০ মঙ্গলবার

সোনারগাঁ (যুগের চিন্তা ২৪) : সোনারগাঁয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। 

 

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে আহত ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে পৌরসভার দরপত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

 

সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, সোনারগাঁ পৌরসভার দরপত এলাকার মৃত নিজামউদ্দিনের ছেলে ইদ্রিস আলীর সাথে পাশ^বর্তী শামসুল হকের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকৃত জমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মেপে তার সীমানা নির্ধারণ করে দিয়ে যায়। নির্ধারিত সীমানায় ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আরিফা বেগম সোমবার সকালে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা লাগাতে গেলে সামসুল হক বাধা প্রদান করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়।

 

এক পর্যায়ে সামসুল হকের নেতৃত্বে জালাল, নুরু, তাজুল , মনির, , সাইফ, নজরুল, আবির, ফয়সালসহ-১০-১২জনের একটি দল দেশিয় অস্ত্র লাঠিসোটা, দা টেঁটা, লেহার রড নিয়ে অতর্কিতভাবে ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আরিফা বেগমের উপর হামলা করে। এসময় তার চিৎকারে ইদ্রিস আলী ও তার ভাগিনা আল আমিন এগিয়ে এলে তাদেরও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।

 

আহত ইদ্রিস আলীর অভিযোগ,  আমার পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে মালিকানা জমি সামসুল হক গং দাবি করে। আমার সঠিক কাগজপত্র থাকায় গণ্যমান্য লোকজন আমার জমি মেপে বুঝিয়ে দিয়ে যায়। এ মাপঝোপ তারা মানেন না। ওই জমিতে গাছ লাগাতে গেলে আমাদের পিটিয়ে আহত করে। এছাড়াও আমার ঘরে দু’জন  স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া মেয়ে রয়েছে। তাদের বিভিন্ন সময়ে অকথ্য ভাষায় সামসুল হকের লোকজন উত্যক্ত করে থাকে।


 
অভিযুক্ত সামসুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিরোধকৃত জমি আমাদের। আমরা ওই জমির অংশ পাবো বলেই দাবি করছি। আমাদের জমি তাই আমরা গাছ লাগাতে বাঁধা দিতে গেলে আমাদেরও তারা পিটিয়ে আহত করেছে। 

 

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় নেয়া হবে।