বুধবার   ২৭ মে ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭   ০৪ শাওয়াল ১৪৪১

সোনারগাঁয়ে প্রবাসীর জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ 

যুগের চিন্তা

প্রকাশিত : ০৭:৩১ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বুধবার

সোনারগাঁ (যুগের চিন্তা ২৪) : সোনারগাঁয়ে এক সৌদী প্রবাসীর জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া চৌধুরীপাড়া এলাকায় এ জমি দখলের অভিযোগ উঠে। একাধিকবার বিচার সালিশে জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ হলেও প্রভাবশালীরা এ জমি দখল ছাড়ছেন না। এঘটনায় সৌদী প্রবাসী মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার হাড়িয়া চৌধুরী পাড়া গ্রামের হাজী সিরাজুল ইসলামের ছেলে সৌদী প্রবাসী মাহফুজুর রহমান ২৭ শতাংশ জমি ক্রয় করে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। সম্প্রতি ওই এলাকার প্রভাবশালী আবুল কাশেম, আব্দুল আউয়াল, রুহুল আমিন, ইদ্রিস মিয়া, খালেদা, আব্দুল হাই ও আনিছ ওই জমি থেকে সোয়া ৩ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে। 

 

এতে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর পরিবারকে হামলা ও মামলার ভয়ভীতি দেখায়। এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে বিচার সালিশ দাবি করে। এ ঘটনায় বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. আব্দুর রউফ সালিশি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে সকল প্রকার দলিলপত্র যাচাই বাছাই করে আবুল কাশেম গংকে দখলকৃত জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

 

এদিকে সালিশ বৈঠকের রায় না মেনে ওই প্রভাবশালীরা উল্টো প্রবাসী মাহফুজুর রহমানকে হামলা ও মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনায় প্রবাসী বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। 

 

সৌদী প্রবাসী মাহফুজুর রহমান বলেন, জমি কিনে দীর্ঘদিন ধরে ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করি। এ জমির মূল্য বেশি থাকায় তাদের পাশ^বর্তী হওয়ায় আবুল কাশেম ও আব্দুল আউয়ালের নেতৃত্বে ১০-১০২জনের একটি সিন্ডিকেট আমার সোয়া তিন শতাংশ জমি দখল করে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়ার পায়তারা করছে। বিচার সালিশেও রায় আমার পক্ষে এসেছে। রায় না মেনে আমাকে মিথ্যা মামলার হুমকি দিচ্ছে।

 

অভিযুক্ত আবুল কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগ অস্বীকার বলেন, বিরোধকৃত জমি আমাদের। এ জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। বিচার সালিশে আমরা সময় চেয়েছি। 

 

বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. আব্দুর রউফ বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় বিচার সালিশে বসেছিলাম। প্রয়োজনীয় দলিলপত্র যাচাই বাছাই করে প্রবাসী মাহফুজুর রহমানের কাগজপত্র সঠিক পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আবুল কাশেম গংকে দখলকৃত জমি ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি না মানায় ওই প্রবাসী প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।