মঙ্গলবার   ২৩ এপ্রিল ২০২৪   বৈশাখ ১০ ১৪৩১

সুস্থ থাকতে চা পান জরুরি

প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭   আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

যুগেরচিন্তা ২৪.কম:  অনেকে বলে চায়ের নাকি কোনও গুণ নেই। ভুল কথা। একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়েছে যে, নিয়মিত হার্বাল টি খেলে শরীর সব দিক থেকে ভালো থাকে।শুধু তাই নয়, নানা ধরনের জটিল রোগের হাত থেকে বাঁচাতেও চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশ্বের অনেক দেশেই চা পানের রীতি রয়েছে। কেউ রিফ্রেশমেন্টের জন্য তো কেউ স্বাভাববশতই দিনে কয়েক কাপ চা পান করে থাকেন।আবার অফিসের কাজের ফাঁকে একটু এনার্জি পেতেও অনেকে গরম চায়ের পেয়ালায় চুমুক মারেন। আর যারা মনে করেন এই অভ্যাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর, তাদের কথা ভেবেই আজকে চায়ের এমন কিছু উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হল যা পড়তে পড়তে যে কারও চোখ কপালে উঠতে পারে।ক্যাফিনের পরিমাণ কম থাকেকফির তুলনায় চায়ে ক্যাফিনের পরিমাণ কম থাকার কারণে চা পান করলে কফির তুলনায় কম ক্ষতি হয়। তাই তো কফিকে টাটা বাই-বাই বলে আজ থেকেই সকাল বিকাল শুরু করুন চা পান।নার্ভকে শান্ত করেচায়ে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপাটিজ মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধি করে। ফলে নার্ভ শান্ত হয়। সেই সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তিও দূর হয়।ইউভি রেডিয়েশনের হাত থেকে বাঁচায়প্রতিদিন চা পান করলে ইউ ভি রেডিয়েশনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কোষেরা রক্ষা পায়। ফলে স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।ক্যান্সার প্রতিরোধ করেএকাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে গ্রিন টিয়ে এমন কিছু উপাদান থাকে যা শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি আটকে দেয়।হার্টকে ভালো রাখেলিকার চায়ে এমন কিছু এনজাইম থাকে, যা হার্টে রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে দিয়ে হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখে। তাই তো চিকিৎসকেরা দিনে কম করে দুবার লিকার চা খাওয়ার পরামর্শ দেন।যন্ত্রণা কমায়শরীরে কোথাও চোট লেগেছে? বেশ যন্ত্রণাও হচ্ছে? চিন্তা নেই এক কাপ মধু চা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন সব কষ্ট কেমন নিমেষে কমে যাবে। আসলে মধু চা প্রদাহ হ্রাস করে। সেই সঙ্গে ক্ষতস্থানের ফোলা ভাব কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।মাইগ্রেনের কষ্ট কমায়এক্ষেত্রে ল্যাভেন্ডার চা খুব কাজে দেয়। আসলে এই চায়ে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ, যা মস্কিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দিয়ে মাইগ্রেনের যন্ত্রণাকে কমিয়ে ফেলে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়রোজ টিয়ে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এই বিভাগের আরো খবর