শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১

৮নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন নিয়ে উত্তেজনা

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০১৯  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : সিদ্ধিরগঞ্জে ৮ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা নিয়ে নেতাদের মধ্যে তীব্র উত্তজনা দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ চাচ্ছে পকেট কমিটি গঠন করতে অপর পক্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করার কথা বলছে। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তজনা বিরাজ করছে।

 

তবে তৃনমূলের চাওয়া হচ্ছে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন হোক। অন্যথায় পকেট কমিটি অনুমোদন দিলে বা যারা কমিটির গঠন করবে তাদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দলোন করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, সম্মেলনে হতে হবে কমিটি, নইলে হবে আন্দোলন। এসি রুম থেকে বেরিয়ে মাঠে এসে করুন কমিটি। মেনে নিবে সকল নেতাকর্মী।    

           
জানাগেছে, নাসিক ৮নং ওয়ার্ড কমিটি আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এতে বিতর্কিত ব্যাক্তিদের দিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা কমিটি করতে যাচ্ছে। কমিটি নাকি গঠন করা হয়েছে। শুধু অনুমোদন বাকি। কিন্তু আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি চাচ্ছে।

 

তারা বলছে, কমিটি গঠন করতে হলে আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র মেনে করতে হবে। কাউকে চাপিয়ে দিলে তা মানা হবেনা। প্রয়োজন রাস্তার নামা হবে। আন্দলোন করা হবে। তারপরেও সম্মেলনে ছাড়া কোন কমিটি এই ৮নং ওয়ার্ডে হবেনা।


এ বিষয়ে গোদনাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শাহ আলম বলেন, আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বলতে চাই, নেতাকর্মীরা চাচ্ছে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি। তারা কোন পকেট কমিটি মানবেনা।
আপনাদের নাম বলে অনেকে কমিটি সভাপতি সাধারণ সম্পাদক হচ্ছে শুনতে পারচ্ছি! মিষ্টি বিতরণ করা হচ্ছে। এটা করবেনা।

 

মনে রাখবেন, আওয়ামীলীগের একটা গঠনতন্ত্র আছে। তা মেনে কমিটি করুন।অন্যথায় কর্মীরা আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে। তাই বলছি কমিটি করতে চাইলে সম্মেলনে করে করুনন। সম্মেলন হচ্ছে কমিটির গঠনের সঠিক নিয়ম।


গোদনাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ বারি বলেছেন, কারো চাপিয়ে দেওয়া কমিটি আমি মানবোনা, নেতাকর্মীরা মানবেনা। কয়েক দিন ধরে শুনছি কমিটি হচ্ছে। মিষ্টিও নাকি খাচ্ছে! কারা মিষ্টি খাবার অনুমোদন দিলো। তারা কি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাথে কথা বলেছে।

 

শহরে এসি রুমে বসে কমিটি করবেন, তা মেনে নিতে হবে। এটা এবার নেতাকর্মীরা মানবেনা। শুনে রাখুনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আপনারা কারো মিষ্টি রসে পিঠা ভিজাবেনা। মিষ্টির রস মুখে উঠবেনা।


এবিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব আলম মাহাবুব বলেন, মিষ্টি খেতে ভালো লাগে, তেতুলে সাধের না কিন্তু খেতে ভালো লাগে। সম্মেলন ছাড়া কোন কমিটি হবেনা। কমিটি করতে দেওয়া হবেনা।


এসি গাড়ি করে চলেন, পকেট কমিটি করনে। তৃণমূলে এসে দেখেন কার কী অবস্থান। সকল নেকার্মীদের দাবি সম্মেলন তাই সম্মেলন থেকেই কমিটি গঠন করতে হবে।

এই বিভাগের আরো খবর