বুধবার   ২৭ মে ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৭   ০৪ শাওয়াল ১৪৪১

মোট আক্রান্ত ১৪৭৫ জন

২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ৬২ জন, মৃত্যু নেই

স্টাফ রিপোর্টার 

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২০  

নারায়ণগঞ্জে গত চব্বিশ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন বাষট্টি জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৪ শত ৭৫ জন। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে গত একদিনে নতুন কারো মৃত্যু হয়নি।

 

আজ পর্যন্ত জেলায় মৃত্যু হয়েছে মোট উনষাট জনের। গত চব্বিশ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো ৮১ জন । এ নিয়ে আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ শত ৭৯ জন। জেলায় এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭ শত ৪৫ জনের। গত চব্বিশ ঘন্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩ শত ৭৪ জনের। 


নতুন আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে একুশ জন রুপগঞ্জ উপজেলার, উনিশ জন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার, আট জন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার, দশ জন সোনারগাঁ উপজেলার, তিন জন আড়াইহাজার উপজেলার, এবং এক জন বন্দর উপজেলার বাসিন্দা। নারায়ণগঞ্জে আইএসপিআর ঘোষিত লকডাউন চলছে ৮ এপ্রিল থেকে। 


জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী আক্রান্তের মধ্যে ৭ শত ৪৫ জন এবং মারা যাওয়াদের মধ্যে ৪২ জন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার। ফতুল্লা থানা এলাকার আক্রান্ত ৪ শত ৯৯ জনের মধ্যে মারা গেছেন ১৩ জন, রুপগঞ্জ উপজেলা এলাকার আক্রান্ত ৮২ জনের মধ্যে মারা গেছেন ১ জন, সোনারগাঁ উপজেলার আক্রান্ত ৭১ জনের মধ্যে মারা গেছেন ২ জন, আড়াইহাজার উপজেলার আক্রান্ত ৪৫ জনের মধ্যে কেউ মারা যাননি এবং বন্দর উপজেলার আক্রান্ত ৩৩ জনের মধ্যে মারা গেছেন ১ জন।


সুস্থ হওয়াদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার ১৯৩ জন, ফতুল্লা থানা এলাকার ৪৯ জন, আড়াইহাজার উপজেলার ১৫ জন, সোনারগাঁ উপজেলার ১৪ জন এবং বন্দর ও রুপগঞ্জ উপজেলার ৪ জন করে রয়েছেন।  


গত ২৯ এপ্রিল রুপগঞ্জে গাজী কোভিড-১৯ পিসিআর ল্যাব উদ্বোধনের পর গত ১৩ মে সকাল পর্যন্ত সেখানে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে ১ হাজার ৬ শত ৪৭ টি নমুনা। গত ৬ মে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব চালু হওয়ার পর থেকে সেখানে গত ১৩ মে সকাল পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫শত ৫৬ টি।


উল্লেখ্য, ৮ মার্চ নারায়ণগঞ্জে প্রথম করোনায় আক্রান্ত সনাক্ত হয় দুই জন। নারায়ণগঞ্জে প্রথম একজন নারীর মৃত্যু হয় ৩০ মার্চ। ৮ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ৩১ দিনে নারায়ণগঞ্জে করোনায় আক্রান্ত হয় ৪৬ জন এবং আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ৭ জনের। এরপর ৮এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আইএসপিআর ঘোষিত লকডাউন শুরু হওয়ার পরও যেন করোনার প্রকোপে লাগাম টানা যায়নি।

 

লকডাউনের শুরু থেকে আজ ১৪ মে সকাল পর্যন্ত গত ৩৭ দিনে আরো আক্রান্ত হয়েছেন ১৪২৯ জন এবং মৃত্যু বরণ করেছেন আরো ৫২ জন মানুষ। জেলায় আজ সকাল পর্যন্ত সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪৭৫ জন আর মারা গেছেন ৫৯ জন। করোনা উপসর্গ নিয়ে আরো অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আগামী ১৬ মে সংক্রমণের দশম সপ্তাহ পূর্ণ হবে।   

এই বিভাগের আরো খবর