মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৫ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তৈমূর ও কালামপন্থী আইনজীবীরা

প্রকাশিত: ১৫ মে ২০১৯  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : সমালোচনার মুখেও সফলভাবে বেগম জিয়ার মুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়াজন করতে সমর্থ হয়েছে জেলা আইনজীবী ফোরাম। কমিটির সভাপতি এড.সরকার হুমায়ূন কবির ও সাধারণ সম্পাদক এড. খোরশেদ আলম মোল্লা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মহানগর বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড.সাখাওয়াত হোসেন খানকে সাথে নিয়ে  এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করেন।

 

আর তারা এটি করতে পেরে একদিকে যেমন নিজেদের মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন অপরদিকে এই অনুষ্ঠানের বিরোধীতাকারী ও সমালোচনাকারী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এড.তৈমূর আলম খন্দকার ও সাবেক সাংসদ এড.আবুল কালামের অনুসারী আইনজীবীদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।  

 

প্রকাশ্যে না বললেও ভেতরে ভেতরে ঠিকই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন তৈমূর ও কালামপন্থী আইনজীবীরা। সরেজমিন আদালতপাড়া ঘুরে দেখা গেছে, সাখাওয়াতপন্থী আইনজীবীদের সফল ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হবার পর নড়েচড়ে বসেছেন বিরোধীকারী বিএনপির আইনজীবীরা। বুধবার দুপুরে পূর্বঘোষিত না হলেও তৈমূরপন্থী ও কালামপন্থী আইনজীবীরা অনির্ধারিত আলোচনাসভা শেষ করেছেন।

 

সূত্র জানিয়েছে, সভায় শেষতক কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি তারা। তৈমূরপন্থী আইনজীবীদের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ খান ভাষানী এবং কালামপন্থী আইনজীবীদের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ খান টিপু। দুইপক্ষের আইনজীবীদের সাথে এসভার সমন্বয় করেছেন অ্যাডভোকেট আজিজ আল মামুন এবং অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু। সভা হলেও শেষ পর্যন্ত ইফতার মাহফিল আয়োজন নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি তারা। 

 

সূত্র জানিয়েছে, সাখাওয়াতপন্থী আইনজীবীদের পক্ষ থেকে অব্যক্ত চ্যালেঞ্জে কিছু একটা করার চিন্তা করছেন তৈমূর ও কালামপন্থী আইনজীবীরা। ইফতার মাহফিল আয়োজন ব্যাতিত অন্য কি করা যায় পরস্পরকে সেনিয়েও চিন্তা করতে বলেছেন তারা। তৈমূর আলম খন্দকারের বাড়িতে ইফতার মাহফিল আয়োজন ও মহানগর বিএনপির পক্ষে ইফতার মাহফিল আয়োজনের দুটি সূচিকেও তারা মাথায় রাখছেন। শেষতক আইনজীবীদের নিয়ে যৌথভাবে ইফতার মাহফিল আয়োজন করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও তারা গভীর বিশ্লেষণ করে দেখছেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। 

 

এদিকে আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, সামনের কর্মসূচি নিয়ে একটু গোপনীয়তা রক্ষা করতে চাইছেন তৈমূর ও কালামপন্থী আইনজীবীরা। তাদের ধারণা তাদের কর্মসূচি সম্পর্কে সাখাওয়াতপন্থী আইনজীবীরা যদি আগাম কোন তথ্য পেয়ে যায় তবে সেক্ষেত্রে তারাও একই রকম কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন করে ফেলতে পারে। আর তাই গোপনীয়তার রক্ষার মাধ্যমে তারা সামনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চান।

 

এব্যাপারে দিক-নির্দেশনা তৈমূর আলম খন্দকার ও আবুল কালাম দুজনের পক্ষ থেকেই দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সূত্র। তবে গোপনীয়তার অবসান ঘটিয়ে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে তাদের কর্মসূচি সবাইকে জানানো হতে পারে বলে জানা গেছে। 
 

এই বিভাগের আরো খবর