মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ২৩ ১৪২৬   ১৩ শা'বান ১৪৪১

সর্দি-কাশিতে আক্রান্তদের ভিড়

প্রকাশিত: ২০ মার্চ ২০২০  

যুগের চিন্তা রিপোর্ট : বাংলাদেশে নতুন করে আরও তিনজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট ১৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। বৃহস্পতিবার সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

 

নতুন করে যে তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা ইতালি ফেরত এক ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। অপর দিকে, করোনা ভাইরাসে নিয়ে নারায়ণগঞ্জবাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ না করলেও ভাইরাসটির বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সচেতনা লক্ষ্য করা গেছে।

 


নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের বাহিরে জ্বর, সর্দি-কাশি  পরীক্ষা করার জন্য বর্হিবিভাগ স্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সারাদিন স্থাপিত বর্হিবিভাগে করোনা ভাইরাস সংক্রান্তে পরীক্ষা করানোর জন্য সাধারণ মানুষদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

 


দিনভর নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ধৈর্য্য সহকারে কর্তব্যরত ডাক্তারদের পরামর্শে পরীক্ষা করিয়েছেন এবং ভাইরাসটি থেকে প্রতিকার পেতে ডাক্তারদের কাছ থেকে গ্রহণ করছেন বিভিন্ন পরামর্শ।

 

পরীক্ষা করতে আসে মো. রিফাতের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের । রিফাত জানান তিনি একজন শিক্ষার্থী। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ টেলিভিশনে রোগটির বিষয়ে জানতে পেরেছেন তিনি। গত দুই দিন ধরে হালকা জ্বরে আক্রান্ত তিনি।


যেহেতু ভাইরাসটি ছোঁয়াচে রোগ এবং সাধারণ জ্বর, ঠান্ডা, কাশি, শ্বাসকষ্টের মাধ্যমেই রোগটির লক্ষণ নিণর্নয়াতি হয় বিধায় পরীক্ষা করার জন্য আসা তার।


মাসুদা বেগম তার ৫ বছরের ছেলেকে নিয়ে এসেছেন ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে। তার সাথে কথা হলে তিনি জানান তার ছেলের গত কয়েকদিন ধরে জ্বর ও ঠান্ডা আক্রান্ত। মাসুদা বেগমের আরো ১ ছেলে ও ১ মেয়ে আছে।


তিনি স্থানীয়দের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জেনেছেন। তিনি  জানান, তাদের প্রতিবেশি বলেছেন ভয় পাওয়ার কিছ ুনেই তবে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের পরামর্শেই পরীক্ষা করানোর জন্য ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি।


বিশিষ্টজনদের মতে, করোনা সংক্রমন নিয়ে নারায়ণগঞ্জের মানুষ খুবই সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ভাইরাসটির বিষয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশে বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।


তাদের মতে, ভাইরাসটি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই তবে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। ভাইরাসটির লক্ষন নিয়ে যদি কারো মধ্যে কোন সন্দেহ বিরাজ করে সেক্ষেত্রে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোতে গিয়ে আলোচনা করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো যথার্থভাবে করাতে হবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর