রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ২১ ১৪২৬   ১১ শা'বান ১৪৪১

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ শহীদ মিনার নির্মাণের দা

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : ভাষা শহিদ দিবস উপলক্ষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ফতুল্লা থানা শাখার উদ্যোগে আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করা হয়। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪ টায় পাগলা রেল স্টেশনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজ করা হয়।


সংগঠক রায়হান শরীফের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বাসদ ফতুল্লা থানার সমন্বয়ক এমএ মিল্টন, রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম কাদির, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলার সভাপতি সুলতানা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন, ফতুল্লা থানার সংগঠক ফয়সাল আহমেদ রাতুল। 


আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মায়ের ভাষা বাংলাকে রক্ষার জন্য সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরো অনেকে জীবন উৎসর্গ করেন। তাঁদের স্মরণে শহীদ মিনারে আমরা ফুল দেই, নানা ধরনের অনুষ্ঠান করি। ভাষার সংগ্রাম বাঙালির ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটায়। ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের পথ ধরেই আমাদের দেশে ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়। 

 

তারা আরও বলেন, একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ প্রাণ ও ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। স্বাধীনতার পরে ৪৮ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু দেশের মুষ্টিমেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ শহীদ মিনার স্থাপিত হয়েছে। মাদ্রাসাগুলোতে শহিদ মিনার নেই, জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় না।


নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের সংবিধানের ১৭(ক) অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘রাষ্ট্র একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’ কিন্তু স্বাধীনতার পর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারা শিক্ষাকে বহুধা বিভক্ত করেছে। শিক্ষার ব্যায় বাড়িয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে তৈরি করেছে বৈষম্যের পাহাড়। 


অনুষ্ঠানে গণসংগীত পরিবেশন করেন, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। সবশেষে মোরশেদুল ইসলামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ প্রদর্শন করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর