বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৭ ১৪২৬   ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সংবাদ প্রকাশের পর কড়ইতলা আইভী সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু

প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

যুগের চিন্তা রিপোর্ট : “এক বছরেও রাস্তা নির্মাণে সেলিম ওসমানের সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হয়নি!”এ শিরোনামে যুগের চিন্তা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সদর থানার গোগনগর ইউনিয়নের সৈয়দপুর পূর্ব এলাকার ছাদিম আলীর বাড়ি (ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক) থেকে সৈয়দপুর কড়ইতলা আইভী সড়ক পর্যন্ত রাস্তাটি নির্মাণ কাজটি স্থানীয় এলাকার জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসির দাবির মুখে অবশেষে বাস্তবায়ন হলো। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রয়ারী) সরেজমিনে সদর থানাধীন গোগনগর ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডে এই সড়কের চলমান কাজ করতে দেখা যায়।


সূত্র থেকে জানা যায়, গোগনগর ইউনিয়নের সৈয়দপুর পূর্ব এলাকার ছাদিম আলীর বাড়ি (ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক) থেকে সৈয়দপুর কড়ইতলা আইভী সড়ক পর্যন্ত রাস্তাটি নির্মাণকাজের উদ্ধোধন করেছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান। 


গোগনগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গত এক বছর পূর্বে অত্যান্ত জাকজমক ভাবে রাস্তাটি নির্মাণ করার জন্য সাংসদ সেলিম ওসমান সহ এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিরা বসে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। 


সে সময় সাংসদ সেলিম ওসমান রাস্তাটি নির্মাণ করার কাজ দেন গোগনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশেদ আলী ও তার ছোট ভাই ফজর আলী, স্থানীয় এলাকার সাবেক জাতীয় ফুটবলার মোঃ সালাউদ্দিন সহ আরো কয়েকজনকে কাজটি সম্পূর্ণ করার জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন।


বিগত সময়ে সরেজমিন ঘুরে দেখাগিয়েছিল, মাটি ফেলে প্রায় ১ কিলোমিটারের মত রাস্তাটি তৈরী হলেও বাকি শেষ অংশের কাজটি জৈনক ডেলিগ্যাটার আনোয়ার হাসনের মালিকানাধীন জমির সীমানায় গিয়ে বাধা প্রাপ্ত হয় এবং আজ অবদি রাস্তা তৈরীর কাজটি বন্ধ হয়ে রয়েছে।

 

আর সে কারনে ঢাকা-মন্সিগঞ্জ সড়ক ও নারায়ণগঞ্জ শহরমুখী যাতায়াতকারী পথচারি, স্কুলের শিক্ষার্থী সহ সাধারন জনগনের চলাচলে বিগ্ন ঘটছে। 


সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক থেকে সরাসরি সৈয়দপুর কড়ইতলা আইভী সড়কে আসতে না পেরে পেছন দিক দিয়ে অত্র রাস্তায় উঠতে দেখা যায়।

 

এ সময় তাদের নিকট প্রশ্ন করা হলে রাস্তায় চলাচলে কি ধরনের সমস্যা হচ্ছে? তারা জানায়, প্রতিদিন এভাবেই আমাদেরকে ঘুরে এসে স্কুলে যেতে হয়। বিভিন্ন প্রকৃকিত দূর্যোগ হলে এই সমস্য আরো বেশী প্রকোট হয়। আর এ কারনে প্রতিদিন সময় মত তারা স্কুলে যেতে পারে না।


স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্র থেকে আরো জানা যায়, সাংসদ সেলিম ওসমান গত এক বছর পূর্বে এ রাস্তাটি নির্মাণ করার জন্য চেয়ারম্যান নওশেদ আলী ও তার ছোট ভাই ফজর আলী, স্থানীয় এলাকার সাবেক জাতীয় ফুটবলার মোঃ সালাউদ্দিনসহ আরো কয়েকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও তারা এ বিষয়ে তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। 
 

এই বিভাগের আরো খবর