বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ১৯ মুহররম ১৪৪১

শামীম ওসমানের সমাবেশ ব্যক্তিগত সমাবেশে পরিণত !

প্রকাশিত: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : যতটা ঢাকঢোল পিটিয়ে শামীম ওসমানের জসসভার ডাক দেয়া হয়েছিলো সমাবেশের পর অতৃপ্তি নিয়ে ফিরে গেছেন আওয়ামী লীগ কর্মীরা। সমাবেশ ডাকার পর থেকেই এসমাবেশটিকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত সমাবেশ বলে অভিহিত করেছিলেন। 


সমাবেশের পর আদতে তাই প্রমাণিত হয়েছে। শামীম ওসমানের কর্মী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিরাই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা ও মহানগরের অধিকাংশ সিনিয়র ও হেভীওয়েট নেতা শামীম ওসমানের সমাবেশে অনুপুুস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়া বিতর্কিতরা। 


শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর নবাব সলিমুল্লাহ সড়কের রামকৃষ্ণ মিশনের উল্টোদিকে রাস্তায় ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চে আয়োজিত সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন,  জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির  সদস্য অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দিপু, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সেলিনা হায়াৎ আইভী, মিজানুর রহমান বাচ্চু, আরজু রহমান ভূঁইয়া, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদির,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল পারভেজ, জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জিএম আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদা মালা, জিএম আরাফাত, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাউছার আহমেদ পলাশ, সোনারগাঁও আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালামসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ। 


তবে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জেলা কমিটির সভাপতি চন্দনশীলের সভাপতিত্বে সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, য্গ্মু সম্পাদক আবু জাফর চৌধুরী বীরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল,  মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ্ বাদল, সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া সাজনু, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রফেসর শিরিন বেগম, মহানগর মহিলা লীগের সভাপতি ইসরাত জাহান স্মৃতি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান, নাজমুল আলম সজল, আব্দুল করিম বাবু, শফিউদ্দিন প্রধান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাজিমউদ্দিন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হাসান ফেরদৌস জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মোহসিন মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত এসব নেতার মধ্যে বেশ কয়েকজন নেতাকে নানা অপরাধে সম্প্রতি পুলিশ গ্রেপ্তার করেছেন। জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা সমাবেশে উপস্থিত না থাকায় এই সভাকে শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত সমাবেশ হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে। অবশ্য সমাবেশের আগেই মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এটিকে শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত সমাবেশ বলেছিলেন। ঠিক তাকে অনুসরণ করে ব্যক্তিগত সমাবেশ মনে করেই অনুপুস্থিত ছিলেন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। 
 

এই বিভাগের আরো খবর