সোমবার   ১৭ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৪ ১৪২৬   ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

মন্ত্রী,এসপি,রাজনীতিবিদদের মিলনমেলা আইভী বাড়িতে (ছবিসহ)

প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারি ২০১৯  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, জেলা ও শহর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান পৌর পিতা, চিশতিয়া ও নকশেবন্দ তরিকার খলিফা, বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী আহম্মদ চুনকা (রঃ) এর ৩৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে তুবারক পরিবেশন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, এসপি, রাজনীতিবিদ, সাধারণ মানুষ সবার উপস্থিতি মিলনমেলায় পরিণত হয়। 

বুধবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে বাৎসরিক মধ্যাহ্ন ভোজ অনুষ্ঠানে আসেন মন্ত্রী, এসপিসহ পুলিশ প্রশাসন, এডিসিসহ জেলাপ্রশাসন, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিকবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সকল স্তরের মানুষ।  

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) মেয়র ডা: সেলিনা হায়াৎ আইভী তদারকিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক), পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজাউল বারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুম বিল্লাহ্, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) নূরে আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদ পলাশ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি সদস্য অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান দিপু।

এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল কাদির, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান, দপ্তর সম্পাদক এম এ রাসেল, জেলা যুব লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা রিপন, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা উজ্জ্বল প্রমুখসহ অন্যান্য রাজনীতিবিদরাও উপস্থিত ছিলেন।  

গতকাল মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) থেকে আলী আহম্মদ চুনকা (রঃ) এর ২দিন ব্যাপী ৩৬ তম বার্ষিক ওরশ মোবারক পশ্চিম দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটিরে স্থাপিত ‘খানকায়ে দারুল ইস্কে’ যথাযোগ্য মর্যাদায় শুরু হয়েছে। প্রথমদিনের কর্মসূচি অনুযায়ী বাদ ফজর থেকে কোরআন তিলোয়াত করা হয়।

বিকেলে খানকা শরীফ থেকে মাসদাইরে অবস্থিত আলী আহমদ চুনকা (রঃ) এর মাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা। মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা শেষে ফাতেহা পাঠ, মিলাদ-মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। রাতে বাংলাদেশের প্রখ্যাত কাওয়াল এহেতাশাম নাদিম কাওয়ালের কন্ঠে মজলিশের সামা অনুষ্ঠিত হয়।

শেষ দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী বাদ জোহর থেকে তুবারক পরিবেশন এবং বাদ আসর মজলিশে সামা (কাওয়ালী) এবং আখেরী কুলের মাধ্যমে দুইদিন ব্যাপী কর্মসূচি সমাপ্ত হয়। 

এই বিভাগের আরো খবর