বুধবার   ২৩ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৩ সফর ১৪৪১

পৃথিবীর ৪টি অমীমাংসিত স্থানের রহস্য

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ডেস্ক রিপোর্ট (যুগের চিন্তা ২৪) : পৃথিবী অপার রহস্যেও ভাণ্ডার। বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে সেসব রহস্য উন্মোচন করার। অনেক অনেক ক্ষেত্র সাফল্যও পেয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু জায়গা আছে, যারা নিজেদের রহস্যকে এখনো আঁকড়ে ধরে রেখেছে। বিজ্ঞানীদের শত চেষ্টার পরেও তাদের ব্যাপারে সত্যটা জানা যায়নি এখনো। বিভিন্ন লোকগাথা, প্রাচীন ধারণা এবং কুসংস্কারে ঢাকা তেমনই চারটি স্থান নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন -

 

সূর্যের দরজা, তিব্বত, বলিভিয়া : ২০০০ সালেই ইউনেস্কো তিওয়ানাকু অঞ্চলকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এটি একটি প্রি-কলাম্বিয়ান নৃতাত্বিক সাইট, যার অবস্থান পশ্চিম বলিভিয়ায়। আর এখানেই অবস্থিত সূর্যের দরজাখ্যাত অদ্ভুত রহস্যময় একটি জায়গা। এ দরজা কত বছরের পুরানো তা কেউ জানে না। কখন এবং কেন এটি তৈরি করা হয়েছিল, তা কেউ জানে না । বিজ্ঞানীদের মতে, এই দরজাটি বিভিন্ন গ্রহের অবস্থানের ধারণা প্রদানের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কারো কারো মতে এই দরজা আসলে ভিনগ্রহীদের হাতে তৈরি।

 

ইয়োনাগুনি ডুবো শহর, জাপান : জাপানে পানির নিচে ডুবে থাকা ইয়োনাগুনি শহর এখনও একটি বড় রহস্য। বলা হয় যে প্রায় ১ হাজার বছর আগে এই শহরটি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। অনেকে একে ‘জাপানের আটলান্টিস’ বলেও অভিহিত করেন। ধারণা করা হয় ভূমিকম্পের কারণে ডুবে গেছে ইয়োনাগুনি। পানির নিচে ডুবন্ত এই শহরকে ঘিরে প্রচলিত রয়েছে নানা গাল-গল্প।


মহেঞ্জাদারো, পাকিস্তান : ১৯২২ সালে সিন্ধু নদীর তীরে একটি পুরানো শহর আবিষ্কৃত হয়েছিল। যার নাম মহেঞ্জাদারো। কেউ এই শহর ধ্বংসের কারণ জানেন না। কেউ কেউ ধারণা করেন, শহরটিতে গণহত্যা চালানো হয়েছিল। আবার কেউ ধারণা করেন বন্যা এবং মহামারীতে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে শহরের বাসিন্দারা। এমনকি এখানে পারমাণবিক বোমা হামলারও ধারণা করেন কেউ কেউ।

 

দৈত্য পাথর বল, কোস্টারিকা : কোস্টারিকাতে কলা গাছ রোপনের জন্য জঙ্গল পরিষ্কার করার সময় বিংশ শতাব্দীর ৩০’র দশকে কিছু বিশাল আকারের বল পাওয়া যায়। জঙ্গল পরিষ্কার করার সময়ে বুলডোজার দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয় এসব বল। ফলে অনেকগুলো বল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এগুলোর ভেতরে স্বর্ণ আছে, এমন গুজব ছড়ানোর পর অনেক স্থানীয় বাসিন্দা ডায়নামাইট দিয়ে কিছু বল ফাটিয়ে ফেলে। পরে কর্তৃপক্ষ এসব নিদর্শন উদ্ধার করে জাদুঘরে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করে। ঠিক কোথা থেকে এসব বল এসেছে বা কী কারণে, কারা এগুলো তৈরি করেছিল এ ব্যাপারে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরো খবর