বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬   ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

পদ্মা ডিপোর রাস্তার দু’পাশে চোরাই তেলের অর্ধ শতাধিক দোকান 

প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

সিদ্ধিরগঞ্জ (যুগের চিন্তা ২৪) : সিদ্ধিরগঞ্জের পদ্মা ডিপোর নিজস্ব রাস্তার দু’পাশে চোরাই তেল কেনার জন্য গড়ে উঠেছে প্রায় অর্ধ শতাধিক তেলের দোকান। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শ থাকার পরেও রহস্য-জনক কারনে বন্ধ হচ্ছেনা চোরাই তেলের দোকান গুলো।

 

প্রতিদিন এ দোকান গুলোতে কয়েক হাজার লিটার চোরাই তেল বিক্রয় করছে ট্যাংকলরির চালকরা। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। ভুক্তভোগীরা র‌্যাব-১১’র হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 


জানা যায়, এ চোরাই তেল কেনার দোকানগুলোর মাধ্যমে প্রতিদিন চুরি হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার লিটার বিমানের তেল। এর গড় হিসেবে, মাসে ৯০ হাজার লিটার যার বাজার দর প্রায় ৫৭ লাখ টাকা।

 

এহিসেবে বছরে প্রায় ৭ কোটি টাকার তেল চুরি হয়। তেল চুরির জন্য ডিপোর দায়িত্বরতদের সাখে তেল চোরাকারবারিদের বিশেষ গোপন সখ্যতা রয়েছে। তারা গোপনে এ কাজে ক্যাজুয়াল ষ্টাফদের ব্যবহার করা  থাকেন।


এদিকে, গত কয়েক দিন আগে দুদকের কর্মকর্তারা ডিপোতে এসে পদ্মা ডিপোর ইনচার্জ মাহাবুবুল আলমকে রাস্তার দু’পাশে গড়ে উঠা প্রায় অর্ধ শতাধিক দোকান বন্ধের জন্য বলে যায়। রহস্য-জনক কারনে ডিপোর ইনচার্জ মাহাবুবুল আলম এখন পর্যন্ত এ চোরাই তেলের দোকান বন্ধ করছে না। 


এ ব্যাপারে পদ্মা ডিপোর ইনচার্জ মাহাবুবুল আলম বলেন, এ অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা দোকানগুলো আমাদের জায়গায় নয়। এ দোকানগুলো উচ্ছেদ করতে ডিসি বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তিনি ম্যাজিষ্ট্র্যাট দিলে আমরা প্রশাসনের সহায়তায় বন্ধ করে দিব। বন্ধা করা প্রশাসনের কাজ। 


এ ব্যাপারে র‌্যাব ১১’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা এ যাবৎ তেল চোরাইকারবারিদের বিরুদ্ধে ২ ডজনেরও বেশি মামলা দিয়েছি। কারো কারো নামে ২/৩ টি মামলা আছে। ডিপো প্রশাসন আমদেরকেও চিঠি দিয়েছে। চোরাই তেলের দোকান বন্ধের লক্ষে জেলা প্রশাসন ম্যাজিষ্ট্যাট নিয়োগ করলে আমরা তাদের সহায়তা করবো।
 

এই বিভাগের আরো খবর