শুক্রবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৬   ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১

তিন দিনের রিমান্ড শেষে ছাত্র দল সভাপতি রনি কারাগারে

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০১৮  

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : ফতুল্লা মডেল থানার দায়ের করা একটি নাশকতার মামলা তিন দিনের রিমান্ড শেষে জেলা ছাএ দলের সভাপতি মশিউর রহমান রনির জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রোববার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মোহসীনের আদালতে হাজির করেন ফতুলাø মডেল থানা পুলিশ। পরে আদালত রনির জেল হাজতে প্রেরণর নির্দেশ দেন।

এর আগে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ পৃথক তিনটি মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে আদালত। এ নিয়ে রনির দশ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ৮ অক্টোবর ফতুলাø থানার দুইটি নাশকতার মামলায় রনির ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে কারাগার থেকে তাকে আদালতে হাজির করেন। আদালত বাদী ও রাষ্ট্র পক্ষের শুনানী শেষে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জানাগেছে গত ১৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রনির নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর তার ভাই মজনু রহমান রানা জানান ডিবি পুলিশ পরিচয়ে রাজধানী ঢাকা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে  এ ঘটনায় তাকে অপহরণের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করে পরিবারের স্বজনরা।

পরদিন (১৭ সেপ্টেম্বর) সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রনির অবস্থান জানতে পেরে ফতুল্লা থানা পুলিশ দাপা ইদ্রাকপুর বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে পুলিশ ৩ রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওই দিনই আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে হাজির করলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ ছাড়াও পরে অপর একটি অস্ত্র মামলায় মশিউর রহমান রনিকে ২ দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। রনি ২ দিনের রিমান্ডে থাকাবস্থায় তার দেয়া তথ্যমতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকা থেকে ৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেন। পরে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আরো একটি অস্ত্র মামলায় ২ দিনের রিমান্ডে আনা হয়।

জানা গেছে, রনি সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার মাসদাইর পাকাপুল এলাকার সড়ক নির্মান ঠিকাদার মোস্তফা কামালের ছেলে। রনির বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু মামলায় জামিন রয়েছে এবং বাকী মামলাগুলোতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী।

প্রসঙ্গত, গত ১০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া একটি বক্তব্যের বিপরীতে ফেসবুকে রনি নিজের টাইম লাইনে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত হন। নিজ দলের নেতা-কর্মীদের কাছে সাহসী, বীর খ্যাতাবসহ প্রশংসিত হলেও ছাএলীগসহ অন্যদের কাছে বেশ সমালোচিত হয়েছিলেন।

এ বিষয়ে আসামী পক্ষের আইনজীবী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, গায়েবী মামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে সরকার। আগামী নির্বাচনে যাতে বিএনপি অংশগ্রহন করতে না পারে সে জন্যই এসব মামলা দায়ের করছে।

এই বিভাগের আরো খবর