রোববার   ১৮ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

তামাক নিয়ন্ত্রন আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স বিষয়ক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯  

ষ্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রন আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স বিষয়ক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সমে¥লন কক্ষে এ প্রশিক্ষন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।


অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যুঁথিকা সরকার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে ঊপস্থিত ছিলেন নাঃগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ন্যাশনাল টোবাকো কন্ট্রোল সেল প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ নবীন একরাম। 


এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- সিভিল সার্জন অফিসার ডাঃ মোঃ ইমতিয়াজ, জেলা তথ্য অফিসার সিরাজদ্দৌলা, সিনিয়র স¦াস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ আমিনুল হকসহ ধূমপান ও তামাকজাত বিষয়ক প্রতিনিধি এবং বেসরকারী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।


প্রশিক্ষন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া বক্তব্যে বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বাস্তবায়নের নিমিত্তে সরকার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে সর্বস্তরের জনগনের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। 


আমাদের পার্শ্ববতী দেশ ভূটানে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমাদের দেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপান করার শাস্তি ৩০০টাকা জরিমানা আদায়,  সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা ও একদিনের জেল জরিমানার বিধান আছে।  


বিদ্যমান জরিমানার প্রয়োগের চেয়ে জরুরী হচ্ছে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বর্জনে সচেতনতা বৃদ্বি করা। 


ন্যাশনাল টোবাকো কন্ট্রোল সেল প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ নবীন একরাম তার বক্তব্যে বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে তামাকজাত দ্রব্যের আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি প্রক্রিয়া বন্ধ করা না গেলেও শতকরা সাড়ে ৩শ’ ভাগ ভ্যাট প্রদান করতে হয়। 


বাজেটের বড় একটা অংশ কর আদায়ের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখায় এ সেক্টরে অদ্যবদি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার কমানো সম্ভব হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারে আমাদের গণসচেতনতা বাড়াতে হবে।
 

এই বিভাগের আরো খবর