বৃহস্পতিবার   ২৩ মে ২০১৯   জ্যৈষ্ঠ ৮ ১৪২৬   ১৮ রমজান ১৪৪০

চার বিশিষ্টজনকে রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০১৯  

ডেস্ক রিপোর্ট (যুগের চিন্তা ২৪) : শহীদ সোহরাওয়ার্দী (মরণোত্তর), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ (মরণোত্তর) চার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) মির্জাপুর কুমুদিনী কমপ্লেক্সে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ৮৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ স্বর্ণপদক তুলে দেন। স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত অপর দুই ব্যক্তিত্ব হলেন, নজরুল বিশেষজ্ঞ এবং গবেষক প্রফেসর রফিকুল ইসলাম এবং চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দীন।

এসময় সোহরাওয়ার্দীর পক্ষে শেখ রেহানা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণ পদক গ্রহণ করেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পক্ষে তাঁর নাতনী খিলখিল কাজী স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।

সকালে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে হেলিপ্যাডে পৌঁছেন। এরপর তাকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতেশ্বরী  হোমসের শিক্ষার্থীরা বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে প্রদর্শন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে মনোরমভাবে সজ্জিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, রণদা প্রসাদ সাহা ছিলেন একজন প্রখ্যাত ব্যবসায়ী ও জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী উইমেনস মেডিকেল কলেজ, কুমুদিনী হাসপাতাল, রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমুদিনী নাসিং স্কুল ও কলেজ, টাঙ্গাইল কুমুদিনী গার্লস কলেজ, মির্জাপুর ডিগ্রী কলেজ, মির্জাপুর এস কে পাইলট বয়েজ এন্ড গার্লস হাইস্কুল, মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের মতো অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন আরপি সাহা।

১৯৭১ সালের ৭ মে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আরপি সাহা ও তার একমাত্র ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাকে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। কুমুদিনী পরিবার এই মহান দানবীরের নামে ২০১৫ সালে রণদা প্রসাদ স্বর্ণপদক প্রবর্তন করে।

কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট বেঙ্গল (বিডি) পরিচালক শ্রীমতি সাহা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন। এতে সভাপতিত্ব করেন আর পি সাহার নীতি ও ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব প্রসাদ সাহা।

অনুষ্ঠানে আর পি সাহা ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্তগণের সংক্ষিপ্ত জীবনী এবং কুমুদিনী ট্রাস্টের ৮৬ বছরের কর্মকান্ড ভিডিও উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়।
 

এই বিভাগের আরো খবর