সোমবার   ১৭ জুন ২০১৯   আষাঢ় ৪ ১৪২৬   ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু, পুলিশের সামনেই নিহতের স্বজনদের মারধর !

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০১৯  

সোনারগাঁ (যুগের চিন্তা ২৪) : সোনারগাঁয় উপজেলার বারদী এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ফারজানা (২২) নামে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মুত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি হত্যা করা হয়েছে। 

নিহতের লাশ নিতে গেলে বারদী ইউনিয়নের সদস্য দাইয়ান সরকারের নির্দেশে পুলিশের সামনেই ফারজানার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালিয়ে ৬জনকে মারাত্মক ভাবে আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

হামলায় আহতরা হলেন- ফারজানার ভাই আলামিন, মো: মোক্তার হোসেন তার স্ত্রী আকলিমা, মো: শহিদ, আলমগীর, রতন। তাদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ভর্তি করা হয়েছে।

এঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। তার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। 

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া গ্রামে ফারজানা নামে এক গৃহবধুর আতœহত্যা করেছে এমন খবর প্রচার করা হয়। ফারজানার পরিবারের লোকজনকে বারদী ইউনিয়নের সদস্য দাইয়ান সরকার মোবাইল ফোনে মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানায়। 

সোনারগাঁ থানার এসআই মোক্তারকে সাথে নিয়ে ফারজানার লাশ ঘরে পরে থাকতে দেখে। ফারজানার স্বামী সুজনের বাবা-মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। দাইয়ানের নির্দেশে উল্টো পুলিশের সামনেই ফারজানার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালিয়ে ৬জনকে মারাত্মক ভাবে আহত করে। 

ফারজানার ভাই বড় ভাই ও মা বানেছা বেগম জানান, পাঁচ বছর পুর্বে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া গ্রামের আঃ সাত্তারের ছেলে সুজনের সাথে মেঘনা উপজেলার চালিভাংগা পুরানগাঁও গ্রামের বাচ্চু মিয়ার মেয়ের সাথে পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ে হয়। 

বিয়ের পর থেকে ফারজানাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছে। পরে বাপ-মা পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দেয়। এরপরও সুজন ফারজানকে নির্যাতন করে। 

এ ব্যাপারে দাইয়ান মেম্বাররের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি হামলার কথা অস্বীকার করেন।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে 
 

এই বিভাগের আরো খবর