সোমবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯   ভাদ্র ৩১ ১৪২৬   ১৬ মুহররম ১৪৪১

ঈদের দিনের স্বাস্থ্যকর খাবার

প্রকাশিত: ৪ জুন ২০১৯  

ডেস্ক রিপোর্ট (যুগের চিন্তা ২৪) : ঈদ মানে উৎসব আর হরেক রকমের মজার খাবারের আয়োজন। কিন্তু ঈদের খাবার তৈরির সময় মনে রাখতে হবে বাড়িতে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা কিডনি রোগী আছে কি না। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের কথাও মাথায় রাখা প্রয়োজন। খাবার যেন এমন হয় যাতে কারোরই তা খেয়ে অস্বস্তি না লাগে বা সবাই এর স্বাদ নিতে পারেন। 


মিষ্টান্ন ছাড়া কোনো উৎসব হয় না, কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীদের চিনি, মিষ্টি বারণ। তাদের জন্য কম চিনি দিয়ে বা বিকল্প চিনি দিয়ে পায়েস, ফিরনি, জর্দা ইত্যাদি তৈরি করা যেতে পারে। ডেজার্ট হিসেবে দই,ফল,ফলের সালাদ খাওয়া যেতে পারে।


ঘন দুধের তৈরী খাবার এবং ঝাল, তৈলাক্ত, ঘি-যুক্ত খাবার খেলে গ্যাস হতে পারে। বুক জ্বালাপোড়া,পেট ফাঁপা ইত্যাদি হতে পারে। বিশেষ করে এক মাস রোজা রেখে হঠাৎ বেশি খাওয়া ভালো নয়। তাই পরিমিত খাবার গ্রহণ করা এবং অতিরিক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।


কিডনি রোগীরা দুই বা তিন টুকরা মাঝারি আকারের মাংস খেতে পারেন, ডালজাতীয় খাবার, যেমন চটপটি না খাওয়াই ভালো। রেজালা বা রোস্ট খাওয়ার সময় ঝোল-তেল বাদ দিয়ে খাওয়া উচিৎ। ভালো হয় যদি মাংস কাবাব বা গ্রিল করে কম তেলে রান্না করা যায়। আরেকটু সচেতন হলে ভাজাপোড়া, কাবাব ইত্যাদি তৈরি করার পর টিস্যু দিয়ে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়া যায় এবং মাংস কাটার সময় চর্বি পুরোটাই ফেলে দিয়ে খাওয়া যায়।


দুপুরের খাবারে সালাদ, লেবু রাখা, সব্জি খাওয়া যেতে পারে। টক দই, বোরহানি হজমে সাহায্য করবে। বিকালে গোটা ফল বা ফলের রস, টক দই, লাচ্ছি রাখা যেতে পারে, প্রচন্ড গরমে এগুলো স্বস্তি দেবে। পোলাও বিরিয়ানিতে সম্পূর্ণ ঘি না দিয়ে কেবল ফ্লেভারের জন্য ওপরে খানিকটা ঘি দেওয়া যেতে পারে।


অতিথিদের জন্য অন্য খাবারের সাথে বিভিন্ন ফল যেমন কাচা কিংবা পাকা আমের রস, মালটা, তরমুজ, ভাঙ্গি, আনার এর জুস, লেবুর শরবৎ, লাচ্ছি ইত্যাদি রাখা যেতে পারে। যেহেতু সারা দিন  বিভিন্ন উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া হবে, তাই রাতে হালকা খাবার বেছে নেয়া উচিৎ। একটা বিষয় খুব খেয়াল রাখা প্রয়োজন আর সেটা হলো রাতের খাবার ঘুমানোর দুই ঘন্টা আগে সেড়ে ফেলা ভালো। 

এই বিভাগের আরো খবর