শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৯ ১৪২৬   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

আড়াইহাজারে ছেলে ধরা আতংক : রাতভর লাঠিসোঁটা নিয়ে খোঁজাখুঁজি

প্রকাশিত: ২২ জুলাই ২০১৯  

আড়াইহাজার (যুগের চিন্তা ২৪) : আড়াইহাজারে সাধারণ মানুষের মধ্যে এবার ছেলে ধরা আতংক দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছেলে ধরা সন্দেহে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হচ্ছে। 

 

গত রোববার রাতে স্থানীয় মাহমুদপুর ইউপির রগুনার্থপুর কল্যাণদী এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ছেলে ধরা আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তবে যার সঙ্গে ঘটনা ঘটেছে তিনি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী। তার নাম রওশনা (৪৫)। তিনি ওই এলাকার আব ছিদ্দিকের স্ত্রী। 

 

রওশনা জানান, রাত ৮টার দিকে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে পাশে একটি দোকান থেকে মশার কয়েল আনতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাকে কোনো একনারী পেছন দিক থেকে প্রথমে চুল ধরে টানাটানি করতে থাকে। পর্যায়ে তার মুখে চেপে ধরে। 

 

তিনি আরো বলেন, তার পড়নে প্রিন্টের কাপড় ও হাতে একটি ব্যাগ ছিল। পরে তিনি ধস্তাধস্তি করে সন্দেহভাজন ওই নারীর হাত থেকে মুক্তি পান। 

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শতশত লোক লাঠিসোঁটা, দা, টেঁটা নিয়ে রাস্তায় বের হয়ে পড়েন। বিভিন্ন ঝোঁপঝাড়ে তাকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। 

 

আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটনার আগেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। 

 

এদিকে একই দিনে স্থানীয় দুপ্তারা দড়িসৎভান্দি এলাকায় নাছির উদ্দিন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রকে রিকশায় করে ৪ যুবক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে বলে তার বাবা নুরুল ইসলাম জানান। পরে বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। 

 

এ ঘটনায় তিনি চার যুবককে সন্দেহ করেনে। এরা হলো ওই এলাকার মৃত জামানের ছেলে রতন, সাত্তারের ছেলে কাজল, মতির ছেলে মৃদুল ও একই এলাকার করিমের ছেলে অনিক। 

 

একই দিন সকাল ৮টায় আড়াইহাজার উপজেলা মসজিদের সামনে থেকে রাবেয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধা নারীকে ছেলে ধরা সন্দেহে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেন। পরে তাকে জিজ্ঞাবাদ করলে তাকে মানষিক প্রতিবন্ধী বলে মনে হওয়ায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে। তিনি গোপালদী পৌরসভাধীন মোল্লার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। 

 

শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় হাইজাদী এলাকা থেকে ছেলে ধরা সন্দেহে এক মানষিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে পুলিশের দিয়েছে জনতা। তার বয়স (৫০) বছর হতে পারে। পরে তাকে জিজ্ঞাবাদ করা হলে সে কিছু বলতে পারছিল না। পরে তাকে পুলিশ ছেড়ে দেয়।  
 

এই বিভাগের আরো খবর